ঢাকা ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

শাহরাস্তিতে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে চলছে ক্যাম্পেইন

শাহরাস্তিতে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে মৌজা ভিত্তিক ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে।
শাহরাস্তি উপজেলার বিভিন্ন মৌজায় এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
শাহরাস্তি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজওয়ানা চৌধুরীর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সার্বিক নির্দেশনায় সরকারের রাজস্ব আদায়ে ইতোমধ্যে গনবিজ্ঞপ্তি প্রদান, মৌজায় মৌজায় ব্যাপক মাইকিং, ভূমি মালিকদের নোটিশ প্রদান সম্পন্ন হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় এখনও মৌজা ভিত্তিক ক্যাম্পেইন চলছে।
উপজেলা ভূমি অফিস সূত্র জানায়, গত ৪/২/২০২৪  রবিবার উপলতা মুন্সি বাড়ি, ৫/২/২৪ সোমবার রাগৈ বাজার, ৬/২/২৪  মঙ্গলবার নোয়াগাঁও উবি’তে ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া আগামী  ৭/২/২৪ বুধবার লোট্রা বাজার ও ভাটনিখোলা সপ্রাবি’তে, ৮/০২/২০ বৃহস্পতিবার কাদরা সপ্রাবি’তে, ১১/২/২০২৪ রবিবার ধামরাস্থ মিজি বাড়ি ও বড়তুলা সপ্রাবিতে,  ১৫/২/২৪ বৃহস্পতিবার ভোলদীঘি বাজার,  ১৮/২/২৪ রবিবার শোরশাক বাজার ও মণিপুর সপ্রাবিতে, ২০/২/২৪ মঙ্গলবার দেবকরা উবিতে, ২৫/২/২৪ রবিবার চেরিয়ারা সপ্রাবিতে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় ক্যাম্প স্থাপন করা হবে।
বর্তমানে ভূমি উন্নয়ন কর অনলাইনে ঘরে বসে ভূমি মালিক নিজেই পরিশোধ করতে পারেন।
এ সেবা সংক্রান্ত তথ্যও ক্যাম্প থেকে জানা যাবে।
এ প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজওয়ানা চৌধুরী বলেন, নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করলে জমির রেকর্ড হালনাগাদ অবস্থায় থাকে এবং জমিতে প্রজার প্রজাস্বত্ব চলমান থাকে।
দাখিলা জমির মালিকানা স্বত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রামান্য দলিল। ভূমি উন্নয়ন কর তিন বছর পরিশোধ না করলে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ অনুযায়ী জমি খাস করার বিধান রয়েছে।
এছাড়া, সরকারি দাবী পাওনা আদায় আইন, ১৯১৩ অনুযায়ী রেন্ট সার্টিফিকেট মামলা দায়েরের মাধ্যমে জমি নিলাম বিক্রির মাধ্যমে সরকারি দাবী মিটানোর সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরো বলেন,ভূমি উন্নয়ন কর বকেয়া না রেখে হালনাগাদ পরিশোধ করা প্রত্যেক সুনাগরিক এবং ভূমি মালিকের একান্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য। মূলত বর্তমান ডিজিটাল ভূমি সেবা সম্পর্কে জনগনকে জানানো, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের স্বার্থে ক্যাম্পেইন এর মাধ্যমে প্রচারণা চালানো অব্যাহত রয়েছে ।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রমজানের আগেই ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ কমিশন’ দাবি নতুনধারার

শাহরাস্তিতে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে চলছে ক্যাম্পেইন

আপডেট সময় : ১০:১৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শাহরাস্তিতে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে মৌজা ভিত্তিক ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে।
শাহরাস্তি উপজেলার বিভিন্ন মৌজায় এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
শাহরাস্তি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজওয়ানা চৌধুরীর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সার্বিক নির্দেশনায় সরকারের রাজস্ব আদায়ে ইতোমধ্যে গনবিজ্ঞপ্তি প্রদান, মৌজায় মৌজায় ব্যাপক মাইকিং, ভূমি মালিকদের নোটিশ প্রদান সম্পন্ন হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় এখনও মৌজা ভিত্তিক ক্যাম্পেইন চলছে।
উপজেলা ভূমি অফিস সূত্র জানায়, গত ৪/২/২০২৪  রবিবার উপলতা মুন্সি বাড়ি, ৫/২/২৪ সোমবার রাগৈ বাজার, ৬/২/২৪  মঙ্গলবার নোয়াগাঁও উবি’তে ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া আগামী  ৭/২/২৪ বুধবার লোট্রা বাজার ও ভাটনিখোলা সপ্রাবি’তে, ৮/০২/২০ বৃহস্পতিবার কাদরা সপ্রাবি’তে, ১১/২/২০২৪ রবিবার ধামরাস্থ মিজি বাড়ি ও বড়তুলা সপ্রাবিতে,  ১৫/২/২৪ বৃহস্পতিবার ভোলদীঘি বাজার,  ১৮/২/২৪ রবিবার শোরশাক বাজার ও মণিপুর সপ্রাবিতে, ২০/২/২৪ মঙ্গলবার দেবকরা উবিতে, ২৫/২/২৪ রবিবার চেরিয়ারা সপ্রাবিতে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় ক্যাম্প স্থাপন করা হবে।
বর্তমানে ভূমি উন্নয়ন কর অনলাইনে ঘরে বসে ভূমি মালিক নিজেই পরিশোধ করতে পারেন।
এ সেবা সংক্রান্ত তথ্যও ক্যাম্প থেকে জানা যাবে।
এ প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজওয়ানা চৌধুরী বলেন, নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করলে জমির রেকর্ড হালনাগাদ অবস্থায় থাকে এবং জমিতে প্রজার প্রজাস্বত্ব চলমান থাকে।
দাখিলা জমির মালিকানা স্বত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রামান্য দলিল। ভূমি উন্নয়ন কর তিন বছর পরিশোধ না করলে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ অনুযায়ী জমি খাস করার বিধান রয়েছে।
এছাড়া, সরকারি দাবী পাওনা আদায় আইন, ১৯১৩ অনুযায়ী রেন্ট সার্টিফিকেট মামলা দায়েরের মাধ্যমে জমি নিলাম বিক্রির মাধ্যমে সরকারি দাবী মিটানোর সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরো বলেন,ভূমি উন্নয়ন কর বকেয়া না রেখে হালনাগাদ পরিশোধ করা প্রত্যেক সুনাগরিক এবং ভূমি মালিকের একান্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য। মূলত বর্তমান ডিজিটাল ভূমি সেবা সম্পর্কে জনগনকে জানানো, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের স্বার্থে ক্যাম্পেইন এর মাধ্যমে প্রচারণা চালানো অব্যাহত রয়েছে ।