মেজর রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপির নির্দেশনার পর
হাজীগঞ্জে সিএনজি স্ট্যান্ডে চাঁদা তোলার ঘটনায় আটক-৪
হাজীগঞ্জে বিভিন্ন সিএনজি স্ট্যাণ্ডে গাড়ীর ড্রাইভারদের কাছ থেকে অবৈধভাবে টাকা উত্তোলণের ঘটনায় ৪জনকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার বিকেলে তাদেরকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলো: মো. মোস্তফা কামাল(৪৩), মো.টিটু (৩২), মো. সোহাগ (২৮), মো. সুজন (৩৮)।

আটককৃতরা সবাই হাজীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।

আটককৃতদের বুধবার দুপরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আবদুর রশিদ জানান, বিভিন্ন সিএনজি স্ট্যাণ্ডে নামে-বেনামের ড্রাইভারদের কাছ থেকে অবৈধভাবে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ছিলো দীর্ঘ দিনের।
চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের সংসদ সদস্য, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তমের নির্দেশক্রমে হাজীগঞ্জের বিভিন্ন সিএনজি স্ট্যাণ্ডে সব ধরণের চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
ওসি আব্দুর রশিদ বলেন এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নেটিজনরা দাবী করছেন, নিরীহ লোকগুলোকে আটক করে বাহাদুরি দেখানোর কিছু নেই। এখনো প্রকৃত দোষীরা কেউ আটক হয়নি।
যাদের আটক করা হয়েছে তারা গডফাদারদের পক্ষে সামান্য বেতনে শুধুমাত্র শ্রম দিত। আর এই শ্রমের বিনিময়ে পাওয়া সামান্য অর্থে চলতো তাদের একেক জনের ৭/৮ সদস্যের পরিবার।
মূলত তাদের মাধ্যমে যারা এই হাওয়ার ব্যবসা করে এক একজন আঙ্গুল ফুলে হয়েছেন কলাগাছ! কেউ বানিয়েছেন অট্টালিকা তারা এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
প্রতি মাসে এক একটা স্ট্যান্ডে লাখ টাকারও বেশি অর্থ চাঁদার মাধ্যমে তোলা হত। এই অর্থের ভাগ যেত রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসন সহ বড় বড় রাগব বোয়ালদের পকেটে।
সচেতন মহলের প্রশ্ন গডফাদাররা কেন অন্তরালে???








