চাঁদপুরে টেম্পুঘাট রাস্তার বেহাল দশা, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী
চাঁদপুর পৌরসভার ১১নং ওয়ার্ডের টেম্পু ঘাট এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম আব্দুল কাদির পাটওয়ারী সড়ক থেকে আব্দুর রশিদ পাটওয়ারী সড়ক পর্যন্ত কয়েকশত মিটার রাস্তার বেহাল দশা। ওই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৪-৫ হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি দেখে মনে হয় হাল চাষ করার জমি। কর্দমাক্ত রাস্তা দিয়ে চলাচলে এলাকাবাসীকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রী সহ শিশু শিক্ষার্থী ও পথচারী এবং মসজিদের মুসল্লিদের চলাচলে দুর্ভোগের শেষ নেই।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি পাকা করণের দাবি জানিয়ে আসছে এলাকাবাসী।

সাবেক তরপুরচন্ডি ইউনিয়ন থেকে এলাকাটি পৌরসভায় অর্ন্তভূক্ত হওয়ার পরও এলাকাটির রাস্তাসহ ড্রেনেজ ব্যাবস্থার কোন উন্নয়ন ঘটেনি। কাঁচা রাস্তাটির বেশ কিছু অংশ ডাকাতিয়া নদীর তীর ঘেঁষে অবস্থিত হওয়ায় বর্ষার সময় অতি বৃষ্টি হলে পাড় ভেঙ্গে নদীতে মাটি চলে য়ায়। বর্ষার সময় অতিদূর্ভোগ পোহাতে হয়। রাস্তাটি দিয়ে যাতায়ত করা কয়েকশত পরিবারকে।

এলাকাবসীর দাবী এ এলাকাটি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পৌরসভায় অর্ন্তভূক্ত হয়েছে। পৌরসভায় অর্ন্তভূক্ত হওয়ায় এলাকাবাসী বেশ খুশি হয়েছিলাম, কিন্ত যেই কলাপ সেই মাথা। মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদের আমলে আশ্বাস দিলেও কাজ হয়নি বর্তমান মেয়র সাহেবের সময়ে। বর্তমান মেয়র এর কাছেও রাস্তাটি পাকাকরনে দাবী জানানো হলেও আজও এর কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। মাঝে মধ্যে জেলা পরিষদ থেকে নদীর পাড় ঘেষা ও পুকুরে সংলগ্ন ভোংগা পাড় মেরামত হয়েছে।

এলাকার গৃহবধু সালমা বেগম বলেন, আমার বিয়ে হয়েছে ২৬ বছর হলো, আমি স্বামীর ঘরে আসার পর যে অবস্থায় রান্তাটি দেখেছি আজও রাস্তাটি সেই কাঁচাই রয়ে গেছে। জনপ্রতিনিধিরা ভোটের আগে রাস্তাটি পাকা করে দেওয়ার আশ্বাস দিলেও আজ অবদি কিছুই পরিবর্তণ হয়নি। আমরা চাই রাস্তাটি পাকা করে তার সাথে ড্রেনের ব্যবস্থা করে দিক পৌর কর্তৃপক্ষ।
এলাকার বাসিন্দা মজিদ তপাদার, আব্দুল আজিজ গাজী, আব্দুর রহমানসহ আরও অনেকে বলেন, পৌরসভা হওয়া সত্ত্বেও আমাদের এলাকার রাস্তাটি কাঁচা। বিভিন্ন সময়ে রাস্তার পার ভেঙ্গে গেলে এলাকাবাসী নিজেদের অর্থ ব্যয় করে পাড়গুলো ঠিক করে থাকে। সামনে বর্ষা আসছে, বর্ষার সময়ে চলাচল করতে এলাকাবসীর কষ্ট হয়। মেয়র সাহেব একটু সুদৃর্ষ্টি দিলে আমরা এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে পারি।
জনদূর্ভোগ ও বিড়ম্বনার অবসান ঘটাতে রাস্তাটি পাকা করা প্রয়োজন। রাস্তাটি পাকা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।








