বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জের

দুই কিডনি বিকল ইউনুছ বেপারী দুই সন্তানের জন্য বাঁচতে চায়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ, ২০২৪, ৮:৪৮ পিএম
দুই কিডনি বিকল ইউনুছ বেপারী দুই সন্তানের জন্য বাঁচতে চায়
আমি কাজ করে কোনরকমে সংসার চালাতাম। কিন্তু আমার দুইটি কিডনি অকার্যকর হওয়ায়  আমি এখন কর্মহীন হয়ে ঘরে পড়ে আছি। অর্থের অভাবে স্থায়ী চিকিৎসাও করাতে পারছি না। আমার ছোট দুইটি সন্তানের জন্য হলেও আমি বাঁচতে চাই। তাই আমি আমার চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আকুল আবেদন জানাচ্ছি সবাই যেন আমাকে চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা করেন। আমি বাঁচতে চাই।
এইভাবেই বিনয়ের সাথে, মানবিক কন্ঠে কথাগুলো বলছিলেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৬নং পশ্চিম গুপ্টি ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড খাজুরিয়া গ্রামের বেপারী বাড়ির  মরহুম আশেক আলী বেপারীর বড় ছেলে মোঃ ইউনুছ বেপারী(৪০)।
ইউনুছ বেপারী অন্যের জমিতে কৃষি কাজ আর গ্রামের হাটে সপ্তাহে দুই দিন সবজি বিক্রি করে অভাব-অনটনের মধ্যে মা, ২সন্তান আর স্ত্রী সহ কোনরকমে সংসারের ঘানি টানছিলেন। জায়গা-জমিহীন, দরিদ্র পরিবারের একমাত্র কর্মক্ষম ব্যক্তি ইউনুছ বেপারীর দুইটি কিডনিই অচল হয়ে পরিবারটিতে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। অসহায় হয়ে পড়ছে পুরো পরিবার, আর্থিক সংকটের কারনে স্থায়ী চিকিৎসা করাতে পারছেন না ইউনুছ বেপারীর।
ইউনুছ বেপারীর বলেন, আমি কাজ করেই কোনমতে সংসার চালাচ্ছিলাম। কিন্তু গত  ৯মাস  আগে আমার শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলে আমি প্রাথমিক চিকিৎসা নেই। এতে কোন উন্নতি না হওয়ায় আমি ঢাকায় জাতিয় কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতালে পরীক্ষা করালে আমার দুইটি কিডনিই অচলের রিপোর্ট আসে। এর পর থেকেই আমি ডাক্তারের পরামর্শে চিকিৎসা নিচ্ছি। গত ৬মাস ধরে সপ্তাহে ২টি করে মাসে মোট ৮টি ডায়ালাইসিস করাতে হচ্ছে। এতে প্রতি মাসে আমার খরচ হচ্চে ৪৫-৫০ হাজার টাকা। যা চালাতে গিয়ে আমি হিমশিম খেয়ে ইতিমধ্যে নিজের সর্বস্ব হারিয়ে  অনেক টাকা ঋনও হয়েছি। কিন্তু এখন ডাক্তার বলছেন দ্রুতই আমার কিডনি প্রতিস্থাপন করাতে হবে। এতে খরচ হবে ২০ লাখ টাকার মতো যা আমি বা আমার পরিবারের পক্ষে কোন ভাবেই যোগান দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কিডনির ব্যবস্থা হলেও আমি অর্থের অভাবে কিডনি প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। এমন অবস্থায় আমি দেশবাসীর কাছে আকুল আবেদন করছি আমি বাঁচতে চাই। আমার ছোট ২ টি সন্তানের জন্য হলেও আমি বাঁচতে চাই। আমি সুস্থ্য হয়ে আবার কর্মে ফিরতে চাই। আমাকে বাঁচানোর জন্য সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসুন। আমাকে সহযোগিতা করুন।
এই বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আস্সাদুজ্জামান খান কালু বলেন, ইউনুছ বেপারী একজন কর্মঠ ছেলে। সে কাজ করেই সংসার চালাতেন। কিন্তু সে অসুস্থ হওয়াতে দরিদ্র পরিবারটি এখন অসহায়-নি:স্ব হয়ে পড়ছে। তার এমন জটিল রোগের কথা শুনে আমরা এলাকাবাসী তাকে চিকিৎসা করানোর উদ্যোগ নিয়েছি। তার কিডনি প্রতিস্থাপন করাতে প্রায় ২০ লাখ টাকা প্রয়োজন। আমরা এলাকাবাসী ইতিমধ্যে তার চিকিৎসার জন্য অর্থ সংরহ শুরু করেছি। এত বড় অংকের টাকা যোগান দিতে আমরা সমাজের সামর্থ্যবানদের কাছে উদাত্ত আহ্বান করছি সবাই যেন মানবিক জায়গায় থেকে তার চিকিৎসার জন্য এগিয়ে আসেন। একটি জীবন বাঁচাতে আমরাও সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
ইউনুছ বেপারীকে সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম:
Bkash Number – 01735914024  (Parsonal)
AGRANI BANk Account Name –
Mojibour Rahman, Mubarak Hossain, Nurjahan Akter. Account No – 0200021958548. Routing No – 010131035. Khajuria Bazar Branch, Faridgonj, Chandpur.

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital