শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

৬ষ্ঠ কচুয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

ভাইস চেয়ারম্যান পদে কচুয়ায় জনপ্রিয়তায় এগিয়ে কুলসুমা

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৪, ৬:৫২ পিএম
ভাইস চেয়ারম্যান পদে কচুয়ায় জনপ্রিয়তায় এগিয়ে কুলসুমা

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা পরিষদ নিবার্চন ঘিরে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ছড়াছড়ি দেখা যাচ্ছে।

গত বুধবার ৩য় ধাপে ১১২টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসীল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) সচিব মো. জাহাংগীর আলম। এর মধ্যে চাঁদপুরের কচুয়া ও ফরিদগঞ্জ উপজেলা রয়েছে। এই দুটি উপজেলায় ইভিএমএ ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। ঘোষিত তফসীল অনুযায়ী- মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া শেষ তারিখ ২ মে, যাচাই-বাছাই ৫ মে। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১২ মে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্ধ ১৩ মে। ভোটগ্রহন হবে ২৯ মে।

তফসীল ঘোষণা পর থেকে কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে আগ্রহী আওয়ামী লীগ নেতারা ব্যাপক তৎপর হয়ে উঠেছেন। তবে মাঠে বিএনপি-জামায়াত নেতাদের তেমন কোনো কার্যক্রম চোখে পড়ছে না। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী উপজেলা বিতারা ইউনিয়ন বুধুন্ডা গ্রামের তারুণ্যের অহংকার কুলসুমা আক্তার। তৃণমূল আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন তরুণ ও মেধাবী এই নেত্রী।

উল্লেখ্য, তিনি মতলব দক্ষিণ উপজেলার নায়েরগাঁও ইউনিয়নের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মনির হোসেনের সুযোগ্য কন্যা।

Model Hospital

তিনি নারায়নপুর ডিগ্রি কলেজ থেকে ২০০৭ সালে এইচএসসি ও একই কলেজ থেকে বি.এ স্নাতক সম্পন্ন করেন। পড়াশুনার পাশাপাশি তিনি ছাত্র রাজনীতি সাথে জড়িয়ে পড়েন। এছাড়াও কচুয়া উপজেলার জাতীয় নির্বাচনগুলোতেও সক্রিয়তার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রাথী কুলসুমা আক্তারের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মনির হোসেন রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। বাবার পথ ধরেই রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে জনগনের সেবা করার প্রত্যয় নিয়ে আসন্ন কচুয়া উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হয়েছেন।

তাহার নির্বাচনী এলাকা কচুয়া উপজেলার হাট-বাজার, পথে-প্রান্তরে ও পাড়া-মহল্লায় সর্বত্র ব্যাপক নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা শুরু করেছেন এই নেত্রী। উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হবেন বলে সাধারণ ভোটাররা আশাবাদী। সাধারণ ভোটার, নারী-পুরুষ ও তরুণদের মধ্যেও ভোটের মাঠে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন এই ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কুলসুমা আক্তার।

কুলসুমা আক্তার বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আমি আশাবাদী জনগণ আমাকে ব্যাপক ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন ইনশাআল্লাহ।

বিজয়ী হলে দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণির মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করবো। আপনাদের সাংবাদিকদের মাধ্যমে কচুয়াবাসীর জনগন ও ভোটারদের আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। তারুন্যের নেতৃত্বে কচুয়াকে স্মার্ট উপজেলা হিসেবে রূপান্তরিত করবো। আপানারা আমাকে দোয়া ও সমর্থন করবেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital