বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

গান, আবৃত্তি ও বাঁশির সুরে কবি রফিকুজ্জামান রণির জন্মদিন পালন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১, ৩:৩২ পিএম
গান, আবৃত্তি ও বাঁশির সুরে কবি রফিকুজ্জামান রণির জন্মদিন পালন

স্টাফ রির্পোটার : চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির আয়োজনে পালিত হলো দেশের জনপ্রিয় তরুণ কবি রফিকুজ্জামান রণির জন্মদিন। শক্তিমান বংশিবাদক বেলালের মনোমুগ্ধকর বাঁশির সুরে সুরে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়।

বৃহস্পতিবার ৩০ ডিসেম্বর চাঁদপুরের বৈশাখী চাইনিজ রেস্টুরেন্টে বাঁশি, গান, আবৃত্তি ও আলোচনাসভাসহ এক জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।

একাডেমির সভাপতি নুরুন্নাহার মুন্নির সভাপতিত্বে ও কবি সজীব মোহাম্মদ আরিফের সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন রফিকুজ্জামান রণির গর্ভধারিণী মা লাভলী জামান, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক লায়ন মাহমুদ হাসান খান, গীতিকার ও নাট্যকার জাহাঙ্গীর এবং জেলা ভোক্ত অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন রুবেল।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক দিলীপ ঘোষ, সদস্য সচিব জয়ন্তী ভৌমিক, সহ-সভাপতি আয়শা আক্তার রুপা, উপ-মহাপরিচালক দুখাই মুহাম্মাদ, পরিচালক শিউলী মজুমদার, সহকারী পরিচালক ফেরারী প্রিন্স, অতিরিক্ত উপপরিচালক আবদুল বারেক খান, নির্বাহী পরিচালক আইরিন সুলতানা লিমা, বিজ্ঞান ও আইসিটি পরিচালক রাসেল ইব্রাহীম। বক্তারা রফিকুজ্জামান রণির জীবন ও সাহিত্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করেন।

Model Hospital

অনুষ্ঠানের শেষপর্ব ছিলো কবিতাসন্ধ্যা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে সংগীত পরিবেশন করেন দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী নন্দিতা দাস, শ্রাবন্তী মজুমদার ও ঐশী ঘোষ। তবলসঙ্গত করেন শুভ। কবিতা আবৃত্তি করেন বাচিকশিল্পী দিপান্বিতা দাস, কামরুন্নাহার বিউটি, নুরুন্নাহার মুন্নি ও শ্রাবণী মীম।

রফিকুজ্জামান রণির ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার দোঘর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম কামরুজ্জামান খোকা ও মাতার নাম লাভলী জামান। তিনি চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করে কুমিল্লা বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজ থেকে আইন বিষয়ক ডিগ্রী লাভ করেন। বর্তমানে চর্যাপদ একাডেমির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন।
স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন: জেমকন তরুণ কবিতা পুরস্কার-২০১৯; ফ্রেন্ডস অব হিউম্যানিটি বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২০; চাঁদপুর জেলা প্রশাসক পুরস্কার-২০১৮; পেন বাংলাদেশ সাহিত্য পুরস্কার ২০২০; এবং মানুষ তরুণ লেখক পুরস্কার-২০১৯; দেশ পাণ্ডুলিপি পুরস্কার-২০১৮; নাগরিক বার্তা লেখক সম্মাননা-২০১৯; চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমী পুরস্কার-২০১৪ ও ফরিদগঞ্জ লেখক ফোরাম পদক-২০১৩।

তার প্রকাশিত গ্রন্থ পাঁচটি : ‘দুই শহরের জানালা’(ছোটগল্প), ধোঁয়াশার তামাটে রঙ’(কবিতা), ‘চৈতি রাতের কাশফুল’(গল্প), ‘মুঠো জীবনের কেরায়া’(কবিতা) ও অতল জলের গাঁও(কবিতা)।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।