বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শোকে স্তব্ধ এলাকাবাসী

সার্বিয়া যাওয়া হলোনা মামুনের, সড়কে প্রাণ গেল বাবা-ছেলের

মো. মাসুদ হোসেন ও মেহেদি হাসান রিমেল প্রকাশিত: সোমবার, ৬ মে, ২০২৪, ৬:৩৮ পিএম
সার্বিয়া যাওয়া হলোনা মামুনের, সড়কে প্রাণ গেল বাবা-ছেলের

কোরবানীর গরু ক্রয় করতে বাড়ি থেকে বের হয়ে চাঁদপুরে গিয়েছিল বাবা-ছেলে। গরু ক্রয় না করে চাঁদপুর থেকে হাজীগঞ্জের উদ্দেশ্যে সিএনজি স্কুটার যোগে রওনা হয়েছেন ঠিকই, কিন্ত শেষ-মেষ বাড়ি ফেরা হলো না দুজনের কারোই। পথিমধ্যে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাদের। একই সড়ক দূর্ঘটনায় আরো তিন জন গুরুতর আহত হয়ে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সোমবার (৬ মে দুপুর) ১টায় চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের গোগরা মহিলা মাদ্রাসার সম্মূখে চাঁদপুরগামী বালুবাহী পিকআপ ও হাজীগঞ্জগামী সিএনজি স্কুটারের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাদের সাথে থাকা নগদ দেড় লক্ষ টাকা পেয়ে বাকিলা ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিলনের নিকট পৌঁছে দেন স্থানীয়রা।

নিহতরা হলেন, হাজীগঞ্জ উপজেলার ১০নং গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের পয়ালজোস গ্রামের মোল্লা বাড়ির গরু ব্যবসায়ী ২৫ বছর বয়সি মো. মামুন হোসেন ও তার পিতা ৫৫ বছর বয়সি আবু তাহের। সিএনজি স্কুটারে থাকা গুরুতর আহত যাত্রীদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

জানা যায়, নিহত মামুনের ৩ বছর বয়সী এক ছেলে সন্তান রয়েছে। সে হাজীগঞ্জ বাজারে মটর গ্যারেজে চাকুরি করতো। পাশাপাশি তার বাবার গরুর ব্যবসায় সহায়তায় করে আসছিলো। নিহত মামুন সার্বিয়া যাওয়ার কথা ছিলো। সার্বিয়া ভিসাও হাতে এসেছে। কিন্ত এক সড়ক দূর্ঘটনায় যেন সব স্বপ্ন নিমেষেই শেষ হয়ে গেলো। তাদের বাবা-ছেলের মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসী শোকে স্তম্ভিত হয়ে পড়েন।

Model Hospital

ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন হাজীগঞ্জ ইউএনও তাপশ শীল ও হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ।

এ প্রসঙ্গে হাজীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রশিদ বলেন, নিহতদের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। বালু বাহী ট্রাক ও সিএনজি স্কুটার উদ্ধার করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।