বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪৬৪ জন, শীর্ষে হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১২ মে, ২০২৪, ১১:১২ পিএম
হাজীগঞ্জে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪৬৪ জন, শীর্ষে হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও ভোকেশনাল মিলে মোট জিপিএ ৫ পেয়েছেন ৪৬৪ জন। তার মধ্যে হাজীগঞ্জ  সরকারি মডেল পাইলট স্কুল এন্ড কলেজে ৮৯ জন এ+ পেয়ে উপজেলা শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে।
এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩২২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তির্ন হয়েছে ৩১১ জন, পাশের হার ৯৭ শতাংশ।
এদিকে ৮৫ জন এ+ পেয়ে উপজেলা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ২০১ জন পরীক্ষার্থীর সবাই কৃতকার্য হলেও জিপিএ ৫ কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। ১৫৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৪৬ জন উত্তির্ন হয়ে পাশের হারে পিছিয়ে থাকলেও ২৪ জন এ+ পেয়ে তৃতীয় অবস্থান ধরে রাখেন বলাখাল চন্দ্রবান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
তাছাড়া পৌর এলাকার আমিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে  ১৬৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৪৫ জন উত্তির্ন হয়ে ১৬ জন এ+ পেয়ে উপজেলা চতুর্থ অবস্থান ধরে রাখেন প্রাচীন এ প্রতিষ্ঠানটি।
উপজেলার অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শতভাগ পাশ করেছে রাজারগাঁও পীর বাদশা মিয়া বালিকা বিদ্যালয় ও রামপুর আলবান্না বালিকা উচ্চ ববদ্যালয়। তবে শতভাগ পাশ করলেও নেই কোন জিপিএ ৫।
এদিকে শতভাগ পাশ না করলেও জিপিএ ৫ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে বাকিলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৭ জন, আলকাউসার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৪ জন, পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ জন, রাজারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ জন, পালিশারা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭ জন, রান্ধুনীমুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ২ জন, রামচন্দ্রপুর ভুঁইয়া একাডেমি ১৮ জন, ধড্ডা পপুলার উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৩ জন, সুহিলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫ জন, নাসির কোর্ট উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪ জন, বড়কূল বালিকা থেকে ৪ জন, রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৬ জন, জগন্নাথপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২ জন, মেনাপুর পীর বাদশা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩ জন, টংগীরপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ে ২ জন, শ্রীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ১ জন, বেলচোঁ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫ জন, প্যারাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ জন, বলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৫ জন, বড়কূল রামকানাই উচ্চ বিদ্যালয়ে৭ জন, দেশগাঁও জয়নাল আবেদীন থেকে ৪ জন, মালিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে ১ জনসহ মোট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ বছর এ+ পেয়েছেন ৪০১ জন।
আর বাকি ৬৩ জন মাদ্রাসা ও ভোকেশনাল থেকে জিপিএ ৫ অর্জন করেছেন।
হাজীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম এ ফলাফলের বিষয় নিশ্চিত করে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।