বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাকাস্থ চাঁদপুর জেলা সমিতি’র সভাপতি সফিউল, সম্পাদক আতিকুর ও কোষাধ্যক্ষ শরীফ

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ জুন, ২০২৪, ৯:৩৬ পিএম
ঢাকাস্থ চাঁদপুর জেলা সমিতি’র সভাপতি সফিউল, সম্পাদক আতিকুর ও কোষাধ্যক্ষ শরীফ

রাজধানীর ঢাকায় বসবাসরত চাঁদপুর জেলার বাসিন্দাদের নিয়ে গঠিত চাঁদপুর জেলা সমিতি’র ৩০ তম ত্রি-বার্ষিক সাধারন সভায় সংগঠনের ৫১সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে।

শনিবার (২৯ জুন) ঢাকার মালিবাগ সমিতির নিজস্ব কার্যালয় চাঁদপুর ভবনে জাতীয় শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি মো. হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষনা করা হয়।

সর্ব সম্মতিক্রমে কমিটিতে মো. সফিউল আলম স্বপনকে পুনরায় সভাপতি এবং আলহাজ্ব জি.এম আতিকুর রহমানকে সাধারন সম্পাদক ও আলহাজ্ব মো. শরীফ হোসেন পাটোয়ারীকে কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত করে কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অন্য সদস্যরা হচ্ছেন সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম আব্দুল মোতালেব, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কাদির, আলহাজ্ব মো. আরিফ উল্যাহ সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. আব্দুল কাদের হাওলাদার, আশরাফ উদ্দিন পাটোয়ারী দুলাল, মিসেস মনজুমা হোসেন, মো. ইফতেখাইরুল হক, যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক পীরজাদা শাহ মুহাম্মদ কুদ্দুস, বিল্লাল হোসেন সাগর, এসএম মতিউর রহমান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মহীউদ্দিন পাটোয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক হারিছ মিয়া শেখ সাগর, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন, প্রচার সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম শাহ আলম, সহ-প্রচার সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মো. তাজুল ইসলাম মিয়াজী, সহ-দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আমিনুল এহছান নেয়ামত, আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. খোরশেদ আলম পাটোয়ারী, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাইহিদ মজুমদার, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী শামছুল হক ভূঁইয়া, সাহিত্য ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ইয়াহিয়া সরকার, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক এম হেদায়েত উল্যাহ মানিক, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুল আহাদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নাসরিন জাহান চৌধুরী শেফালী, কার্যনির্বাহী সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটোয়ারী দুলাল, লায়ন বেনজীর আহমেদ, বাবু নির্মল গোস্বামী, মো. নাজমুল আহসান, রুহুল পাটোয়ারী, ব্যারিস্টার জুয়েল সরকার, মো. মনোয়ার হোসেন শেখ, খোরশেদ আলম খুশু, এ্যাড. ছিদ্দিকুর রহমান, আমিনুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান জাহাঙ্গীর, ড. লোকমান হোসেন, মো. মফিজুর রহমান খাঁন বাবু, মো. ফিরোজ শাহ মুনির, হেলাল উদ্দিন মিয়াজী, মো, ফয়েজ আহমেদ স্বপন, মো. হান্নান মিয়া, শাহ মুহাম্মদ এমরান, মো. মিজানুর রহমান রনি ও মো. সামসুল আলম সরকার স্বপন।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।