বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়া বঙ্গবন্ধু সরকারি ডিগ্রি কলেজের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের অনিয়মের অভিযোগ

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুলাই, ২০২৪, ১২:৪৮ এম
কচুয়া বঙ্গবন্ধু সরকারি ডিগ্রি কলেজের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের অনিয়মের অভিযোগ

কচুয়া পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ডাকবাংলো সংলগ্ন প্রাচীন বিদ্যাপীঠ কচুয়া বঙ্গবন্ধু সরকারি ডিগ্রি কলেজের উত্তর পাশের্^র সীমানা প্রাচীর নির্মাণের ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কলেজের সীমানা প্রাচীরের নির্মাণ কাজে নিম্ন-মানের ইট,বালু, ডেমেজ সিমেন্ট, নিম্ন-মানের রড দিয়ে কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কাজের সংশ্লিষ্ট তদারকি শিক্ষা প্রকৌশলীর দপ্তরের লোকজন না থাকায় ঠিকাদার এইসব অনিয়ম করে যাচ্ছে ও কলেজ কর্তৃপক্ষ কাজের অনিয়ম দেখে ও না দেখার ভান করছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ তুলেছে। কাজের গুনগত মান না থাকায়, নিম্ন-মানের কাজ করা সত্ত্বে ও কাজ বন্ধ না করায় কলেজ কর্তৃপক্ষের দিকে আঙ্গুল তুলেছে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জানান, পৌরসভার প্রাণকেন্দ্র অবস্থিত আমাদের এই কলেজটি। কলেজের উত্তর পার্শে^র সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে নিম্ন-মানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষের এব্যাপারে ব্যাপক উদাসিনতা লক্ষ্য করা গেছে। এলাকাবাসী মনে করছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে আতাঁত করে এই প্রকল্পের কাজ ঠিকভাবে দেখ-ভাল করছে না কলেজ কর্তৃপক্ষ।

এব্যাপারে জানতে জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারি প্রকৌশলী অনিক মজুমদারের কাছে প্রকল্পের অনুমোদন সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাইলে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন ও চাঁদপুর থেকে তথ্য নেওয়ার জন্য বলেন।

Model Hospital

অপর দিকে কচুয়া সরকারি কলেজের (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ, শাহ্ মোহাম্মদ জাকিরউল্লাহ্ জানান, কলেজের সীমানা প্রাচীর নির্মাণে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের চাঁদপুর এর কাছে বার বার কাজের এস্টিমেট দিতে বললেও প্রকল্প সংশ্øিষ্টরা দেয়নি। তবে কাজের নিম্ন-মানের নিমার্ণ সামগ্রীর না ব্যবহার করার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও কাজের দায়িত্ব থাকা তদারকি কর্মকর্তা উপ-সহকারি প্রকৌশলী বিষয়টি আমলে নিচ্ছেন না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এহসান মুরাদের মুঠোফোনে বার বার ফোন করেও ফোন রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।