শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে ১৫০ দিনে কোরআনে হাফেজ হলেন ফাহিম

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:৫৬ পিএম
শাহরাস্তিতে ১৫০ দিনে কোরআনে হাফেজ হলেন ফাহিম
আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে শাহরাস্তিতে ১৫০ দিনে কোরআন মুখস্ত করে হাফেজ হয়ে  ফাহিম (১৫) এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
বৃহস্পতিবার শাহরাস্তি উপজেলার চিতোষী পশ্চিম ইউপির খেড়িহর পূর্বপাড়া মোহাম্মাদিয়া কমপ্লেক্সের নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শাহরাস্তি উপজেলার চিতোষী পূর্ব ইউপির শ্বেতীনারায়নপুর মোল্লা বাড়ির কলিমুল্লাহ ও ফাতেমা বেগম দম্পতির কনিষ্ট পুত্র ফাহিমকে এ মাদ্রাসায় কোরআনে হাফেজ হওয়ার জন্য তার পরিবার ভর্তি  করিয়ে দেয়। ওই থেকে ফাহিম মাদ্রাসায় তার কোরআন মুখস্তর ক্ষেত্রে মেধার  চমক দেখাতে শুরু করে। একপর্যায়ে সে ১৫০ দিনে আল্লাহ পাকের প্রেরিত ৩০ পারার এ আসমানি কিতাবটি (কোরআন শরীফ)  মুখস্ত করে ফেলে।
এই বিষয়টি তার হেফজখানার গণ্ডি পেরিয়ে সমগ্র এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এ প্রসঙ্গে তার ওস্তাদ  হাফেজ মোঃ কামাল হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, ফাহিম বর্তমানে ওই ইউনিয়নের দশনাপাড়া আলিয়া মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণীতে অধ্যয়নরত।
এরই মধ্যে তার পরিবার হাফেজ হতে তাকে ভর্তি করিয়ে দেয় এ প্রতিষ্ঠানে ।
গত পাঁচ মাস পূর্বে  ফাহিম এ হেফজখানায় ভর্তি হয়ে পবিত্র কোরআন পাকের এক পারা (২০ পৃষ্ঠা) ৪-৫ দিনে মুখস্ত করে ফেলে । এরপর ক্রমে মেধার প্রখরতা ও মুখস্ত বিদ্যার তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পেতে থাকে । একপর্যায়ে ফাহিম একদিনে কোরআন শরীফের দশ পৃষ্ঠা ( অর্ধপারা) মুখস্ত করে ফেলে,যার ফলে ১৫০ দিনের মাথায় ফাহিম কোরআনে হাফেজ বনে যায়।
তিনি আরো জানান, সাধারণত কোরআনে হাফেজ হতে শিক্ষার্থীদের দুই থেকে তিন বৎসর সময় লাগে। এক্ষেত্রে হাফেজ ফাহিম আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে খুব কম সময়ের মধ্যে তার মেধার প্রখরতা দেখিয়ে অসাধ্য কাজটি করে মেধার স্বাক্ষর রেখেছে,যা অত্র এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী ফাহিমের এ বিরল কৃতিত্বের জন্য গর্ববোধ করছে।
উল্লেখ্য, এ  ৩০ পারার আসমানী কিতাবটি পৃথিবীতে নাজিল হতে (৬১০খৃঃ) মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ) নিকট পৌঁছাতে ২৩ বছর সময় লেগেছিল।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital