বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

উদীয়মান একজন উদ্যোক্তা আস্থা গ্রুপের ফাউন্ডিং ডিরেক্টর মঈনুল হক

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৪, ১১:৫৮ পিএম
উদীয়মান একজন উদ্যোক্তা আস্থা গ্রুপের ফাউন্ডিং ডিরেক্টর মঈনুল হক

মঈনুল হক

চাঁদপুরের উদীয়মান একজন উদ্যোক্তা আস্থা গ্রুপের ফাউন্ডিং ডিরেক্টর মঈনুল হক যিনি আস্থা গ্রুপের চীফ ফিনান্সিয়াল অফিসার ও ডিরেক্টর অপারেশন্স হিসেবে কর্মরত আছেন।

তিনি তার ১২ বছরের কর্মজীবনে বিভিন্ন জায়গায় কর্মরত ছিলেন যার মধ্যে প্রায় ১১ বছর ইসলামী বাংলাদেশ পিএলসিতে প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।

মঈনুল হক চাঁদপুর সদর উপজেলার দেওয়ান বাড়ীর বাহেরখলিশাঢুলি গ্রামের কৃতি সন্তান । তার বাবা দেওয়ান মো.অহিদুজ্জামান তিতাস গ্যাস লিঃ এর একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক। তার দাদা মাওলানা হাবিবুর রহমান ছিলেন হরিনা উচ্চ বিদ্যালয় সাবেক সিনিয়র শিক্ষক এবং তার চাচা দেওয়ান সফিকুজ্জামান চাঁদপুর সদর উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ।

মঈনুল হক তার কর্মজীবন শুরু করেন ঢাকার ওয়েস্টার্ন কলেজের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক হিসেবে। পরবর্তীতে তিনি ইসলামি ব্যাংকে বাংলাদেশে কাজ করার সময় ফিনটেক ও ব্যাংকিং ব্যাবস্থাপনায় বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেন । মঈনুল হক তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য একজন আদর্শ ব্যক্তিত্ব।

Model Hospital

তিনি যুক্তরাষ্ট ভিত্তিক ‘ট্যাবেজ’ নামক একটি ফিনটেক স্টার্টআপের পরিচালক যা মাস্টার কার্ড দ্বারা যাচাইকৃত এবং ওয়াইকম্বিনেটর সমর্থিত। মঈনুল হকের উদ্যোগে বিভিন্ন উদ্যোক্তাদের জন্য প্রশিক্ষণ ও মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম পরিচালিত হচ্ছে যেখানে তিনি আর্থিক সহায়তা ও মোটিভেশন এর মাধ্যমে সবাইকে উৎসাহিত করছেন। তার কাছে মনে হয় যে সফলতার জন্য সততা, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

মঈনুল হক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।

এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফাইনান্সে এম.বি.এ ডিগ্রি অর্জন করেন। তার একাডেমিক ক্যারিয়ার জুড়ে তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন যা তার পরবর্তী তার কর্মজীবনে প্রভাব ফেলেছে। মঈনুল হক শুধুমাত্র প্রযুক্তি ও ফিনটেকেই সীমাবদ্ধ নন বরং তিনি ভূ-রাজনৈতিক বিষয়গুলোতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

মঈনুল হক কেবল একজন উদ্যোক্তা নন তিনি বিভিন্ন সামাজ সেবামূলক কাজেও জড়িত।তার উদ্যোগেই চাঁদপুরে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘মাওলানা হাবিবুর রহমান ফাউন্ডেশন’ যিনি তার প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ,উক্ত সংগঠনের মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। তার প্রতিষ্ঠিত ক্রিয়া সংগঠন ‘কাফেলা’ ঢাকার ডেমরা থানার একটি পরিচিত ক্রিয়া সংগঠন। তিনি ঢাকার ডেমরার অত্যন্ত পরিচিত সামাজিক সংগঠন ‘চেতনার’ সাবেক শিক্ষা সম্পাদক ছিলেন।

মঈনুল হক একজন দূরদর্শী ও উদ্যমী উদ্যোক্তা যার নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ীক নতুন দিগন্ত উন্মেচন করেছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital