অধিক মুনাফার আশায় শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষকরা
কচুয়ায় আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষকরা।
আগাম সবজি চাষে মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। মুলা, শিম, বেগুন, টমেটো, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লালশাক, পালংশাক, করলা, লাউ, কাঁচামরিচ, ঢেঁড়স,গাজর, টমেটোসহ নানা জাতের সবজি চাষ করছেন চাঁদপুরের কচুয়ার কৃষকরা। শুধু নিজেদের চাহিদাই নয়, বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে এসব সবজি। শীতের শুরুতে বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন জাতের সবজি পাঠাবে এই এলাকার কৃষকরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অধিক লাভের আশায় আগাম শীতকালীন সবজি চাষে আগ্রহ বেড়েছে উপজেলার কৃষকদের মাঝে। জমিতে শীতকালীন বিভিন্ন জাতের সবজির চারা রোপণ ও পরিচর্যায় কৃষক পরিবারগুলোর ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ সবজি লাগাতে জমি প্রস্তুত করছেন। কেউ বিভিন্ন জাতের সবজির বীজ বা চারা রোপণ করছেন। কেউ বা সবজি খেতের আগাছা পরিষ্কার করছেন।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর এ উপজেলায় ৪২৫ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার মধ্যে চলতি সপ্তাহে প্রায় ১৭ হেক্টর জমিতে আগাম সবজি চাষ হয়েছে। তবে কিছুদিনের মধ্যেই পুরো লক্ষ্যমাত্রা চাষাবাদ অর্জন সম্ভব হবে আশা করা হচ্ছে।

ডুমুরিয়া গ্রামের কৃষক শহীদুল ইসলাম বলেন, এবছর আমি প্রায় ৬০ শতাংশ জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজির আবাদ করেছি। তবে তা আগাম চাষ করতে পারলে বেশি মুনাফা পাওয়া যায়। আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করলে এখন কীটনাশকমুক্ত সবজি চাষ করা সম্ভব।

সবজি চাষী সফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছর আমি লাউ,লাল শাক সহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করি। এবছর শীতের আগাম সবজি আবাদ করেছি। আশা করছি শীত আসতে আসতে ফলন পাওয়া যাবে। এতে অধিক মুনাফায় শীতকালীন সবজি বিক্রি করা যাবে বলেও জানান তিনি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, এ অঞ্চলের কৃষকরা আগাম শীতকালীন বিভিন্ন ধরনের সবজির আবাদ শুরু করেছেন। আগাম শীতকালীন সবজি চাষে একটু ঝুঁকি বেশি থাকে। এজন্য কৃষকদের সঠিক সময়ে এবং সঠিক পদ্ধতিতে সার, জৈব সার এবং কীটনাশকের সঠিক ব্যবহারের জন্য মাঠ পর্যায়ে তাদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।








