শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুর সদরের গ্রাম পুলিশ সদস্যদের উন্নত প্রশিক্ষণ উপলক্ষে ব্রিফিং

গ্রামপুলিশ-মাঠ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অন্যতম ভূমিকা পালন করছে: ইউএনও সাখাওয়াত

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৪, ৭:০৪ পিএম
গ্রামপুলিশ-মাঠ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অন্যতম ভূমিকা পালন করছে: ইউএনও সাখাওয়াত

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশকে আবাসিক প্রশিক্ষণ প্রদান উপলক্ষে ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১১ নভেম্বর) সকালে চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বাছাই পূর্বে ব্রিফিং করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাখাওয়াত জামিল সৈকত।

তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ হলো একজন মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের প্রতিটি বাড়ি যাদের চেনা তারা হলেন গ্রাম পুলিশ। তাই গ্রাম পুলিশ বাহিনী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাহিনী। কিন্তু এই বাহিনীর সদস্যরা তাদের দায়িত্ব সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন করতে ভয় পান। সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের গ্রাম পুলিশ বাহিনীকে আরো আধুনিকায়ন ও চৌকস করতে নানা পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করে আসছে। তাই আগামীতে স্মার্ট গ্রাম পুলিশ বাহিনীর কোন বিকল্প নেই। মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ থেকে লব্ধ জ্ঞান অক্ষরে অক্ষরে পালন ও প্রয়োগ করবে গ্রাম পুলিশ বাহিনী।

তিনি বলেন, গ্রামপুলিশ-মাঠ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অন্যতম ভূমিকা পালন করছে। হয়েছে পুলিশের সহযোগী। তবে তাদের নিয়ন্ত্রক স্থানীয় সরকার বিভাগ। বর্তমানে সারাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ১০ জন করে সারাদেশে প্রায় ৪৭ হাজার গ্রামপুলিশ কর্মরত আছেন। প্রতি দশজনের মধ্যে একজন কমান্ডার। গ্রাম পুলিশের এই শক্তিকে উন্নত প্রশিক্ষণ দিয়ে আধুনিকায়ন সরকার উদ্যোগ নিয়েছেন। একজন গ্রাম পুলিশ দিনে ও রাতে ইউনিয়নে পাহাড়া ও টহলদারী করেন।

Model Hospital

অপরাধের সংগে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় অনুসন্ধান ও দমন করেন এবং অপরাধীদের গ্রেফতার করতে সাধ্যমত পুলিশকে সহায়তা করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাখাওয়াত জামিল সৈকত বলেন, দেশের ইউনিয়ন কমপ্লেক্সেগুলোতে বিভিন্ন বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আলাদা আলাদা অফিস থাকায় সাধারণ জনগণ নাগরিক সুবিধা ভোগ করতে সক্ষম হচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য নির্ধারিত কক্ষ রয়েছে। ইউনিয়ন কমপ্লেক্সগুলো গ্রামীণ সাধারণ মানুষের মিলনক্ষেত্র হিসাবে কাজ করছে।

ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল এমরান খান। প্রসঙ্গ: সরকার গ্রাম পুলিশ সদস্যদের জন্য বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ আয়োজন করেছে। সারা দেশের ন্যায় প্রথম পর্যায়ে চাঁদপুর সদর উপজেলায় ১৪ টি ইউনিয়নের ১১১ জন গ্রাম পুলিশ সদস্যদের থেকে ৪০ জনকে আবাসিক প্রশিক্ষণ প্রদান করবে। আগামী ২৫ নভেম্বর থেকে মাসব্যাপী এই আবাসন প্রশিক্ষণ চলবে।

শিক্ষামন্ত্রীর নিজ উপজেলায় এইচএসসিতে পাসের হার ৩৯.৯৬, আলিমে ৬৪.১৩, শীর্ষে ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫০ পিএম
শিক্ষামন্ত্রীর নিজ উপজেলায় এইচএসসিতে পাসের হার ৩৯.৯৬, আলিমে ৬৪.১৩, শীর্ষে ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ

উপজেলার শীর্ষে ড. মনসুর উদ্দিন মহিলা কলেজ।

সারাদেশের ন্যায় এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় ফলাফলে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সার্বিক পাসের হারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা গেছে।

শনিবার ৩১ শে অক্টোবর প্রকাশিত শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নিজ উপজেলায় এবারের এইচএসসিতে পাসের হার ৩৯.৯৬%, আলিমে ৬৪.১৩% । তন্মেধ্যে এইচএসসিতে জিপিএ ৫ পেয়েছে ০৩ জন ও আলিমে ০৭ জন।

জানা যায়, উপজেলার ৯ টি কলেজ থেকে মোট ১ হাজার ৫শ ৭৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে পাস করে ৬শত ২৯ জন এবং আলিমে ১৪টি মাদ্রাসা থেকে ৪শ ৬০জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে পাস করে ২শ ৯৫ জন।  কচুয়ার অজয় পাড়া গায়ে হাসিমপুর গ্রামে মনোরম পরিবেশে অবস্থিত ড. মনসুর উদ্দিন মহিলা কলেজ ফলাফলের দিক থেকে এবারো উপজেলা পর্যায়ে ১ম স্থান অর্জন করেন।

এ কলেজ থেকে ১৭১জন পরীক্ষা অংশগ্রহন করে ১শ ৫৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন ও  জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ জন। ২য় স্থান অর্জন করে নিশ্চিন্তপুর ডিএস ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা । এ মাদ্রাসা  থেকে ৪৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ৪৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন ও  জিপিএ ৫ পেয়েছে ০২  জন।

Model Hospital

উপজেলার কলেজ ও মাদ্রাসা গুলোতে এমন ব্যাপক সংখ্যক শিক্ষার্থীর ফেল করা এবং ফলাফলের এই ধস দেখে অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগী মহল চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীরা জানান, ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার অভাব, পাঠদানের মান হ্রাস এবং সার্বিক নজরদারির অভাবেই আজকের এই ফলাফল। দ্রুত এই বিপর্যয় উত্তরণে শিক্ষা বিভাগ ও কলেজ কর্তপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আগামী দিনে শিক্ষার মান আরও তলানিতে ঠেকবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।