শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

রংতুলি সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পিপি অ্যাড.কোহিনুরকে সংবর্ধনা

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৪, ৭:৪৯ পিএম
রংতুলি সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পিপি অ্যাড.কোহিনুরকে সংবর্ধনা

রংতুলি সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের সিনিয়র সহ সভাপতি এড‌ভো‌কেট কোহিনুর রশিদ চাঁদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি নিয়োগ প্রাপ্ত হওয়ায় সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়েছে।

রংতুলি সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের সিনিয়র সহ সভাপতি এড‌ভো‌কেট কোহিনুর রশিদ চাঁদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি নিয়োগ প্রাপ্ত হওয়ায় সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা এবং সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) বিকালে সংগঠনে সদস্যরা এড. কোহিনুর রশিদের বাসায় গিয়ে তাঁকে ফুল দিয়ে অভিনন্দিত করেন।

এ সময় রংতুলি সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মইনুদ্দিন লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইখতিয়ার উদ্দিন শিশু, দপ্তর ও অর্থ সম্পাদক সুফি খায়রুল আলম খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাকসুদুল ইসলাম রতন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সান‌জিদা আলম সাঞ্জু, সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাফানা নামরীন মেধা ও কাজী কাবীশাসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য: ১৩ নভেম্বর চাঁদপুর জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সলিসিটর সানা মো. মাহরুফ হোসাইন স্বাক্ষরিত পত্রে চাঁদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের
পিপি নিয়োগ প্রাপ্ত হয়েছেন।

Model Hospital

শিক্ষামন্ত্রীর নিজ উপজেলায় এইচএসসিতে পাসের হার ৩৯.৯৬, আলিমে ৬৪.১৩, শীর্ষে ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫০ পিএম
শিক্ষামন্ত্রীর নিজ উপজেলায় এইচএসসিতে পাসের হার ৩৯.৯৬, আলিমে ৬৪.১৩, শীর্ষে ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ

উপজেলার শীর্ষে ড. মনসুর উদ্দিন মহিলা কলেজ।

সারাদেশের ন্যায় এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় ফলাফলে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সার্বিক পাসের হারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা গেছে।

শনিবার ৩১ শে অক্টোবর প্রকাশিত শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নিজ উপজেলায় এবারের এইচএসসিতে পাসের হার ৩৯.৯৬%, আলিমে ৬৪.১৩% । তন্মেধ্যে এইচএসসিতে জিপিএ ৫ পেয়েছে ০৩ জন ও আলিমে ০৭ জন।

জানা যায়, উপজেলার ৯ টি কলেজ থেকে মোট ১ হাজার ৫শ ৭৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে পাস করে ৬শত ২৯ জন এবং আলিমে ১৪টি মাদ্রাসা থেকে ৪শ ৬০জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে পাস করে ২শ ৯৫ জন।  কচুয়ার অজয় পাড়া গায়ে হাসিমপুর গ্রামে মনোরম পরিবেশে অবস্থিত ড. মনসুর উদ্দিন মহিলা কলেজ ফলাফলের দিক থেকে এবারো উপজেলা পর্যায়ে ১ম স্থান অর্জন করেন।

এ কলেজ থেকে ১৭১জন পরীক্ষা অংশগ্রহন করে ১শ ৫৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন ও  জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ জন। ২য় স্থান অর্জন করে নিশ্চিন্তপুর ডিএস ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা । এ মাদ্রাসা  থেকে ৪৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ৪৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন ও  জিপিএ ৫ পেয়েছে ০২  জন।

Model Hospital

উপজেলার কলেজ ও মাদ্রাসা গুলোতে এমন ব্যাপক সংখ্যক শিক্ষার্থীর ফেল করা এবং ফলাফলের এই ধস দেখে অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগী মহল চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীরা জানান, ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার অভাব, পাঠদানের মান হ্রাস এবং সার্বিক নজরদারির অভাবেই আজকের এই ফলাফল। দ্রুত এই বিপর্যয় উত্তরণে শিক্ষা বিভাগ ও কলেজ কর্তপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আগামী দিনে শিক্ষার মান আরও তলানিতে ঠেকবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।