বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে শহর জুড়ে ককটেল বিস্ফোরণ অস্ত্রের ঝনঝনানি, জনমনে আতঙ্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১২:০৩ এম
চাঁদপুরে শহর জুড়ে ককটেল বিস্ফোরণ অস্ত্রের ঝনঝনানি, জনমনে আতঙ্ক

হঠাৎ করেই সন্ধ্যার পর ককটেল বিস্ফোরনের আওয়াজে কেঁপে ওঠে পুরো চাঁদপুর শহর। পুরান বাজার থেকে শুরু করে বাবুরহাট এলাকা পর্যন্ত এই তান্ডব চালায় নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীরা।

একদল উচ্ছৃঙ্খল যুবক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মোটর সাইকেলে মহড়া দেয় পুরো শহর জুড়ে।

এসময় তারা হইহুল্লোড় করে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় এবং মানুষকে হুমকি ধমকি প্রদান করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল ৮ ডিসেম্বর রোববার সন্ধ্যার একদল উচ্ছৃঙ্খল যুবক পুরো শহর জুড়ে এই পরিস্থির সৃষ্টি করে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ প্রশাসন তাৎক্ষনিক পদক্ষেপ নিলে আতঙ্ক সৃষ্টিকারীরা সটকে পড়ে। সাথে টহলে নামে সেনাবাহিনীও।

Model Hospital

ঘটনার পর পুলিশ এবং সেনাবাহিনী শহরের প্রধান প্রধান সড়কে টহল দিতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ বাহার মিয়া জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং যারা এই বিস্ফোরণগুলোর সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, শহরের প্রধান সড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে অভিযান চলমান রয়েছে।

জানা যায়, চাঁদপুরে সাম্প্রতিক সময়ে চাঁদাবাজি, দখলদারি, সন্ত্রাস, মিথ্যা মামলা, হয়রানি ও অপপ্রচার এবং ভয়ভীতি প্রদর্শণের প্রতিবাদে ‘আমরা চাঁদপুরবাসী’ এর বেনারে সর্বস্তরের মানুষ একটি প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই কর্মসূচীকে বাঞ্চাল করার জন্যই মূলতঃ চাঁদাবাজি, দখলদারি, সন্ত্রাস, মিথ্যা মামলা, হয়রানি ও অপপ্রচার এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শণকারীরা একই ভাবে আবারো নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে বলে মনেকরছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীরা সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ কর্মসূচীকে বাঞ্চাল করতে বিভিন্নভাবে ভয়ভিতি ও হুমকি ধমকি প্রদান করছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

তারা বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচী পালন করতে চাই। কিন্তু তারা আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও হুমকি ধমকি দিচ্ছে। আমরা এব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে মোটরসাইকেলে সওয়ার হয়ে দুর্বৃত্তরা ককটেল বিস্ফোরণ করতে থাকে। একে একে শহরের বিভিন্ন এলাকা ঝলসে ওঠে। বিশেষ করে নতুন বাজার ও পুরান বাজারে বিস্ফোরণগুলোর তীব্রতা ছিল বেশি। এই বিস্ফোরণগুলো স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

চাঁদপুরের সাধারণ মানুষ এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এভাবে প্রকাশ্যে শহরে ককটেল বিস্ফোরণ এবং অস্ত্র নিয়ে মহড়ার ঘটানো খুবই দুঃখজনক। আমাদের সন্তানরা স্কুলে যায়, এমন পরিস্থিতিতে বাসায় থাকতে ভয় লাগছে।”

এছাড়া, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শহরের ব্যবসায়ী এবং সাধারণ নাগরিকরা। তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital