শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

উপকৃত দুটি অস্বচ্ছল ও অসহায় পরিবার

হাজীগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে দুই অপারেশন করে প্রশংসায় ভাসছেন চিকিৎসকরা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৪:৪৮ পিএম
হাজীগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে দুই অপারেশন করে প্রশংসায় ভাসছেন চিকিৎসকরা

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একদিনে ২টি সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ২জন অস্বচ্ছল ও অসহায় পরিবারের মানুষ উপকৃত হয়েছেন। এর মধ্যে একজনের মূত্রথলির পাথর এবং অন্যজনের এপেন্ডিসাইটিসের অপারেশন করা হয়। অস্ত্রোপচারের পাশাপাশি তাদেরকে সরকারিভাবে বিনামূল্যে ঔষধ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রায় আড়াই ঘন্টা ব্যাপি হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন ১নং ওয়ার্ড বলাখাল এলাকার বাসিন্দা মো. আব্দুস ছোবহানের (৬৫) মূত্রথলির পাথর ও চাঁদপুর সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের চরবাকিলা গ্রামের কিশোর মো. কাউছার হোসেনের (১৪) এপেন্ডিসাইটিসের অপরাশেন করা হয়।

অপারেশনকৃত রোগীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেডে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে এবং তারা সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছেন। এদিকে বিষয়টি জানার পর হাসপাতালে আগত রোগি ও তাদের স্বজনসহ স্থানীয় ও এলাকাবাসীর প্রশংসায় ভাসছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ চিকিৎসক ও হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত নরমাল ডেলিভারীসহ সিজারিয়ান অপারেশন এবং প্রতি সোমবার অন্যান্য রোগীদের জটিল ও কঠিন রোগসমূহের অপারেশ করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার আব্দুস ছোবহানের মূত্রথলি থেকে পাথর ও কাউছার হোসেনের এপেন্ডিসাইটের অপারেশন করা হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহমেদ তানভীর হাসানের (ইউএইচএফপিও) সার্বিক তত্ত্বাবধানে অপারেশন কার্যক্রম পরিচালনা করেন, মেডিকেল অফিসার ও ইউরোলজিস্ট ডা. মো. মমিনুল হায়দার এবং মেডিকেল অফিসার ও নিউরোসার্জন ডা. মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম। এর আগে রোগীদের অজ্ঞান কার্যক্রম পরিচালনা করেন, মেডিকেল অফিসার ও এনাস্থেসিস্ট ডা. আবিদা সুলতানা।

এছাড়াও অপারেশন টিমে ছিলেন, মেডিকেল অফিসার ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞা ডা. মোহাম্মদ মহিবুল আলম রুবেলসহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং  সেবিকা (নার্স) হালিমা ও বৃষ্টি। বর্তমানে আব্দুস ছোবহান ও কাউছার হোসেন সুস্থ আছেন এবং তারা চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।

কথা হয় প্রসূতি চিকিৎসাধীন আব্দুস ছোবহান ও কাউছার হোসেন এবং তাদের পরিবারের সাথে। তারা সবাই চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এতো ভালো চিকিৎসা হাসপাতালে (উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স) পাবো। তা তারাই কখনোই ভাবেন নি। এজন্য তারা সংশ্লিষ্টদের প্রতি ধন্যবাদ জানান।

এ ব্যাপারে কথা হয় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. আহমেদ তানভীর হাসানের সাথে। তিনি ওটি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অপরাশেনকৃত দুইজনেই সুস্থ আছেন।

তিনি বলেন, মডেল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সুবিধায় ইতোমধ্যে চাহিদার প্রয়োজনীয় কিছু যন্ত্রপাতির পেয়ে আগের চেয়ে একটু বেশি সেবা দিতে পারছি। সেবার মান বৃদ্ধি করতে আমরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছি। আশাকরি, আমরা সবাই যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি, তাহলে স্বপ্নের স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে যাবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital