বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলায় নারীসহ আহত-৪

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৫, ৬:৪৪ পিএম
কচুয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলায় নারীসহ আহত-৪

কচুয়া উপজেলার উত্তর কচুয়া ইউনিয়নের নাহারা গ্রামে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় চারজন আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

আহতরা হলেন, মোসা আমেনা বেগম, আহসান উল্লাহ্ (৩০), সাহিদুল (২৮) মাইনউদ্দিন (২৫)।

রবিবার সকালে নাহারা গ্রামে বাদীর জায়গায় উপরে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে কচুয়া থানায় আহতদের বোন আমেনা বেগম বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ।

কচুয়া থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কচুয়া উপজেলার উত্তর কচুয়া ইউনিয়নের নাহারা গ্রামের আঃ বারেক ও শাহিন গংদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে বাদী আমেনা গংদের।

Model Hospital

এ নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হয়েছে। সম্প্রতি আঃ বারেক পিতা: কালা মিয়া, শাহিন পিতা: আঃ বারেক, আরজা বেগম গংরা ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে আমাদের দখলীয় জমি দখল করার চেষ্টা করে। আমি এবং আমার ভাইগণ প্রতিবাদ করলে আমাদের উপর অর্তকিত হামলা চালিয়ে কুপিয়ে গুরুত্বর জখম করে। এবং আমার সাহিদুল ভাইয়ের উপর দা দিয়ে কোপ মেরে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে। আমাদের ডাক চিৎকারে বাড়ির আসে পাশের লোকজন ছুটে এসে আমাদেরকে উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল হাসপতালে রেফার করে।

স্থানীয়রা জানায়, আঃ বারেক গংদের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ বাদী মোসা আমেনা বেগমের পরিবারের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। স্থানীয় ভাবে সমাধান করে দিলে আঃ বারেক গংরা সমাধান এসে পরবর্তীতে তাদের পরিবারের উৎশৃংখল কারনে ঝামেলা সৃষ্টি হয়।

এব্যাপারে বিবাদী আঃ বারেক গংদের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগোযোগের চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য নেওয়া পাওয়া যায়নি।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আব্দুল হালিম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।