বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

২০ বছরে পদার্পণ করলো বাঁধন পাঠাগার

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১১:৫২ পিএম
২০ বছরে পদার্পণ করলো বাঁধন পাঠাগার

২০ বছরে পদার্পণ করলো বাঁধন পাঠাগার।

‘যতোই হোক ক্লেস, যুবরাই গড়বে দেশ’ এই স্লোগানকে ধারণ করে গত ২০বছর আগে  চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় প্রতিষ্ঠা হয়েছিল বাধঁন পাঠাগার।
সমাজে যখন চলছিল কুসংস্কার এবং বিভিন্ন অনিয়ম ঘুষ ও দুর্নীতির কার্যক্রম ঠিক সে সময়ই ছেংগারচর পৌরসভার দেওয়ানজীকান্দি গ্রামে বাঁধন পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার গোলাম রসুল ঢালী ও গ্রামের কিছু শিক্ষিত তরুণরা মিলে দিনবদলের পরিবর্তনের স্লোগান নিয়ে একটি সংগঠন তৈরি করে।
২০০৫সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে বাঁধন পাঠাগারটি। তৎকালীন তথ্য ও সংস্থাপন প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম নুরুল হুদা, ছেংগারচর পৌরসভার সাবেক মেয়র আমেনা বেগম এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল মান্নান ইলিয়াস, একটি জাঁকজমক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি শুভ উদ্বোধন করেন।
দীর্ঘ ১৯ বছর যাবৎ শিক্ষা, ক্রীড়া, মানবসেবামুলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে, শূন্য থেকে ৫বছরের শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ এবং হাতে-কলমে শিক্ষা দান সহ নানান সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত হয়ে প্রতিষ্ঠানটি সমাজ এবং দেশের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। বয়স্ক নারী ও যুবতীদের কুরআন শিক্ষা এবং হাদিসের আলোকে ইসলামিক শিক্ষা প্রদান, প্রতিবছর বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিল, অসহায়ের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, করোনাকালীন সময়ে অসহায় মানুষদের পাশে থেকে সাহায্য সহযোগিতা করা, কৃষকদের ধান কেটে দেওয়া বিভিন্ন জাতীয় দিবস পালন করা, প্রতি রমজানে ইফতার বিতরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা, অসহায় মানুষদের আর্থিক সহায়তা প্রদান, অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা প্রদানসহ বিভিন্ন দুর্যোগে মানুষের পাশে ছিল পাঠাগারটি।
২০ বছরের সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হওয়া এলাকায় সার্থক হয়েছে কুসংস্কার, সামাজিক অনিয়ম কমেছে, শিক্ষার হার বেড়েছে, মেধাবির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাঁধন পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার গোলাম রসুল ঢালী জানান, গত ২০ বছর আগে আমি সহ আমাদের গ্রামের সকলের প্রচেষ্টায় গড়ে তুলেছিলাম এই প্রতিষ্ঠানটি। যা আজও সুনামের সাথে চলমান রয়েছে। তবে কয়েক বছর যাবৎ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম কিছুটা ধীরগতি হলেও এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে কয়েকটি বৃহৎ পরিকল্পনা রয়েছে। বাঁধন পাঠাগারটি মাধ্যমে অতীতের সকল কার্যক্রমের সাথে আরো কিছু নতুন সেবা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে, তার মধ্যে অন্যমত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা।
তিনি আরও বলেন, যারা এই প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত আমি সকলের কাছে চির কৃতজ্ঞ। এই প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা করার জন্য আমার গ্রামবাসী আমাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন এবং ভবিষ্যতেও করবেন বলে আমি আশাবাদী।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital