বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ভোগান্তিতে দরিদ্র রোগীরা

চাঁদপুরের ৩ উপজেলায় সরকারি হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও নেই চালক

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১২:১৯ পিএম
চাঁদপুরের ৩ উপজেলায় সরকারি হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও নেই চালক

চাঁদপুরের তিনটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পড়ে আছে চারটি অ্যাম্বুলেন্স। চালক না থাকায় কয়েক বছর ধরে জরুরি সেবা পেতে বিড়ম্বনায় পড়ছেন রোগীরা।

জেলার হাজীগঞ্জ, কচুয়া ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে আছে এ ৪টি অ্যাম্বুলেন্স। যার একেকটার দাম প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও নেই চালক। এতে করে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ও গুরুতর রোগীরা জরুরি সেবা পেতে পড়ছেন বিড়ম্বনায়। নির্ভর করতে হচ্ছে প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্সের ওপর।

জেলা সদর হাসপাতালের পরই সবচেয়ে বেশি রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে ছুটে যান হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। প্রতিদিন অন্তত ৮ থেকে ১০ জন রোগীকে অন্যত্র রেফার করতে হচ্ছে। সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের চালক থাকলে দ্রুত সেবা ও খরচে সাশ্রয় পাবেন রোগীরা।

প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্সের কয়েকজন ড্রাইভার জানায়, সরকারি ড্রাইভার নাই, আমরা দুই থেকে তিনজন আছি। আমরা ভাড়া ধরার জন্য এখানে থাকি। সড়ক দুর্ঘটনার রোগী গুলো আসলেই অ্যাম্বুলেন্সের ডাক পড়ে। তখন সরকারি অ্যাম্বুলেন্স থাকে, ওটার যদি ড্রাইভার উপস্থিতি থাকে তা হলে সে নিয়ে যায়। তা না হলে রোগীগুলোকে আমাদের বহন করতে হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ জানায়, আমাদের ইমারজেন্সি হিসেব মতে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ জন রোগী অন্যত্র রেফার করতে হয়। দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীগুলা অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভারের অভাবে সেবা পাচ্ছে না। অ্যাম্বুলেন্স আছে আমাদের, কিন্তু ড্রাইভার না থাকাতে রোগীদের অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহমেদ তানভীর হাসান বলেন, হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভারের সংকট রয়েছে। এই ব্যাপারে বারংবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি লিখেছি। আশা করি নুতন করে অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নিয়োগ দেবে।

জেলার তিনটি হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স চালকের সংকট নিরসনে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানোর কথা জানান চাঁদপুরের সিভিল সার্জেন ডা. মোহাম্মদ নুর আলম দীন।

তিনি বলেন, চাঁদপুরে তিনটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাম্বুলেন্স আছে, কিন্তু চালক নাই। এখন নতুন করে চালক আসলে নিয়োগ নেয়া হচ্ছে না। ঊর্ধ্বতন কতৃপর্ক্ষকে জানিয়েছি, অন্য কোনো উপজেলায় অ্যাম্বুলেন্স নেই, চালক আছে। যদি ওই ধরনের তিনজন চালক পাওয়া যায়, তাহলে এই সমস্যা সমাধান হচ্ছে। তবে রেগুলার বেসিসে ড্রাইভার আনার জন্য একটি প্রস্তাবনা বিভাগীয় কার্যালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরে পাঠিয়েছি।

হাজীগঞ্জে একটি, মতলব দক্ষিণে একটি ও কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইটি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। দ্রুত চালক নিয়োগ দেয়া না হলে অকেজো ও যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে পড়ার শঙ্কায় রয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital