বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ইউএনও সাখাওয়াত জামিল সৈকত

রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজার মনিটরিং করতে হবে

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৮:০৩ পিএম
রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজার মনিটরিং করতে হবে

চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের মাসিক আইনশৃংখলা ও সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাখাওয়াত জামিল সৈকত।

চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের ফেব্রুয়ারী মাসের মাসিক সাধারণ সভা ও আইনশৃংখলা কমিটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৬ ফেব্রুয়ারী (বুধবার) দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মাসিক আইনশৃংখলা ও সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাখাওয়াত জামিল সৈকত।

উপজেলা আইন শৃঙ্খলা ও মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, জনপ্রতিনিধি, ও সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি মাদক ব্যবসায়ী, ইভটিজিং, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের জিরো টলারেন্স ভূমিকায় থাকার ঘোষণা দেন। সভা শেষে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার মুলতবি ঘোষণা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত জামিল সৈকত।

তিনি আরো বলেন, আইনশৃঙ্খলা আমাদের বরাবরের মতোই ভালো। আইন-শৃঙ্খলা যত শক্ত অবস্থানে থাকে মাদকের ব্যবসা ততই কম থাকে। পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজার মনিটরিং এর উপর গুরুত্ব প্রদান করতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

Model Hospital

চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), আল এমরান খানের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি তদন্ত মিন্টু দত্ত, উপজেলা প্রকৌশলী রাহাত আমিন পাটওয়ারী, উপজেলা কৃষি অফিসার তপন রায়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাজন কুমার দাস, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মুকবুল হোসেন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ শাহরীন আফরিন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক, উপজেলা শিক্ষা অফিসার ভব রঞ্জন দাস, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জিয়াউল হক মিলন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আফতাবুল ইসলাম, উপজেলা সমবায় অফিসার নাজমুন্নাহার, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মনির হোসেন, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা কাজী শফিকুর রহমান, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম সিফাত উদ্দিন, উপজেলা ডেভেলপমেন্ট ফ্যাসিলিটেটর শেখ মোঃ হারুনুর রশীদ হীরা প্রমুখ।

এ সময় চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের বিভাগীয় কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।