বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

বদর দিবসে ইসলামী ফ্রন্টের আলোচনা ও ইফতার মাহফিলে বক্তাগণ

সাহাবায়ে কেরামের মতো নবীপ্রেম জাগ্রত হলেই আমরা সেই গৌরব ফিরে পাবো

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫, ৮:১৮ পিএম
সাহাবায়ে কেরামের মতো নবীপ্রেম জাগ্রত হলেই আমরা সেই গৌরব ফিরে পাবো
১৭ রমজান ঐতিহাসিক বদর দিবস উপলক্ষে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আদর্শবাহী সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চাঁদপুর জেলা শাখার আয়োজনে  আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ মার্চ ২০২৫)  বিকেলে চাঁদপুর প্রেসকাব ভবনস্থ এলিট চাইনিজ এন্ড রেস্টুরেন্টে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য পীরে তরীকত আল্লামা আবু সুফিয়ান খান আবেদী আল কাদেরী। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন গাউছিয়া বোরহানিয়া দরবার শরীফের পীর সাহেব আল্লামা হাফেজ মাওঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত চাঁদপুর জেলার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এএইচএম আহসান উল্লাহ,  চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি রহিম বাদশা, সাধারণ সম্পাদক কাদের পলাশ, কামরাঙ্গা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওঃ আবু তাহের, বাগাদী দরবার শরীফের পীরজাদা মাওঃ মোঃ মাহফুজ উল্লাহ ইউসুফী, গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ দাম্মাম সৌদি আরব শাখার সভাপতি হাফেজ মাওঃ মুজাম্মেল হক।
বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ মুফতি রফিকুল ইসলাম আল-কাদেরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির ও মাওঃ নোমান আহমাদের পরিচালনায়  বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি মোঃ কামরুল হাসান, যুবসেনার সভাপতি মোঃ বজলুর রশিদ সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ নবাব খানসহ ইসলামী যুবসেনা ও ছাত্রসেনা চাঁদপুর জেলা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভায় বক্তাগণ বলেন, মদিনায় ইসলামের সমৃদ্ধি ও গণজাগরণে ভিত হয়ে কাফিররা প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের পবিত্র মাসে এ যুদ্ধে লিপ্ত হয়। মহান বদর যুদ্ধের ঐতিহাসিক তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তারা আরো বলেন, এ দিবসকে ইয়াওমুল ফোরকান তথা হক ও বাতিলের পার্থক্য করার দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সেদিন ঈমানী চেতনায় স্বল্পসংখ্যক মুহাজিদ বাহিনী বিপুল সংখ্যক প্রশিক্ষিত কাফির সৈন্যবাহিনীকে পরাস্থ করে ইসলামের পতাকাকে উড্ডীন করেছেন। প্রিয় নবীর সাহাবাগণের মধ্যে যে নবীপ্রেম ছিলো সে প্রেম আমাদের মধ্যে জাগ্রত হলেই আমরা আবার সেই গৌরব ফিরে পাবো।
বক্তারা বলেন, ফিলিস্তিনে কিশোরের লাশকে ক্ষতবিক্ষত করে জ্বালিয়ে ভস্মীভূত করে উল্লাস করা হচ্ছে। বোমা মেরে ঘরবাড়ি ছাড়া করছে ফিলিস্তিনী মুসলিম জনগোষ্ঠীকে। শতাব্দীকালের এ বিষফোঁড়া ইসরাইল আর কতোদিন মুসলমান অসহায় নারী ও শিশুর রক্ত ঝরাবে?
বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা ও ছাত্রসেনা চাঁদপুর জেলা শাখার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আরো বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ওলামায়ে কেরাম ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে মিলাদ, কিয়াম ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে নাতে রাসুল পরিবেশন করেন শায়ের মোঃ হেলাল উদ্দিন ও কুরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ মোঃ আবদুর রহমান ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital