শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০২৫, ৭:৪২ পিএম
চাঁদপুরে হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে চাঁদপুরে হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে শুক্রবার (২১ মার্চ) জুমার নামাজের পর বাইতুল আমিন মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকেবিক্ষোভ মিছিল বের হয়।

ভারতে মুসলিম নির্যাতন ও ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের বর্বর হামলার প্রতিবাদে এবং ধর্ষকদের ফাঁসির দাবিতে চাঁদপুর জেলা হেফাজতে ইসলাম বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে।

শুক্রবার (২১ মার্চ) জুমার নামাজের পর বাইতুল আমিন মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে এ বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাসস্ট্যান্ড এলাকার ইলিশ চত্বরে এসে শেষ হয়।

সংগঠনের জেলা সভাপতি মাও. লিয়াকত হোসেনের সভাপতিত্বে ও জয়েন্ট সেক্রেটারি আবুল কালাম আযদের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ সভাপতি মুফতী সিরাজুল ইসলাম, তোফায়েল আহমদ, এড : শাহজাহান মিয়া, এড শাহজাহান খান, মুফতী নুরে আলম, ফারুক মুহাম্মদ নোয়াইম, মাও তারেক হাসান, মাও সুলতান আহমদ, মাও আশেকে এলাহী, মাও উবায়দুল্লাহ, মাও মিজানুর রহমান, আবু বকর খান, মাও শরীফ, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ পরিষদের হারুনুর রশীদ প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনের নিরীহ জনগণের ওপর নির্বিচারে হামলা চালিয়ে আসছে। নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের হত্যা করা হচ্ছে, যার ফলে সেখানে মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে।

Model Hospital

বক্তারা আরো বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে চলমান হামলায় ৪৮ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে। শুধু গত দুইদিনেই এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই শিশু ও নারী। এই ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ বন্ধে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ওআইসি ও আরব লীগসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ফিলিস্তিনের জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। আজ আমার ফিলিস্তিনি ভাই বোনরা খোলা আকাশের নীচে ঘুমাচ্ছে, অন্যহীন, বস্ত্রহীন, চিকিৎসাবিহীন এক মানবেতর জীবন যাপন করছে। প্রতিটি মুহূর্তে তাদের সামনে বোমা হামলা হচ্ছে, নারী শিশুরা বন্দুকের নলের মুখে জীবন খাটাচ্ছে। চোখের সামনে নিজের মা বোন আত্মীয় স্বজন ইসরায়েলী নৃশংস হামলায় শহীদ হচ্ছে। সব হারিয়ে দিশেহারা আমার ফিলিস্তিনের ভাই বোনরা।

এক সেকেন্ড পর পৃথিবীর আলোর মুখ দেখবে কিনা সেই নিশ্চিয়তা নাই। এই নৃশংস চিত্র দেখে আমরা আর ঘরে বসে থাকতে পারছি না আমাদের শরীরে রক্ত প্রবাহ থেমে যাচ্ছে। হে মহান আল্লাহ! আপনি আমাদের সাহায্য করুন,আমরা আর ধৈর্য ধরতে পারছি না বিশ্বের সকল মুসলিমদের এক দেহ এক প্রাণ।

আমরা এই মূহুর্তে ফিলিস্তিনে গিয়ে প্রতিবাদ করতে না পারলেও আমরা আজকে থেকে ফিলিস্তিনি পণ্য বয়কটের মধ্য দিয়ে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখব। ফিলিস্তিনের মুসলমানরা যতদিন পর্যন্ত স্বাধীন হতে পারবে না আমাদের আন্দোলন সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

সমাবেশ শেষে মুসলিম জাহানের শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital