বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মহামায়া-৯৭ ব্যাচ ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে ইফতার মাহফিল

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০২৫, ৯:২৮ পিএম
মহামায়া-৯৭ ব্যাচ ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে ইফতার মাহফিল
চাঁদপুর সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মহামায়া হানাফিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৯৭ এসএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গঠন করা হয়েছে “মহামায়া-৯৭ ফাউন্ডেশন”।
শুক্রবার (২১ মার্চ) বিকেলে মহামায়া বাজারস্থ ফাউন্ডেশনটির অস্থায়ী কার্যালয়ে সামাজিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত অলাভজনক ও অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী এই সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে।
মহামায়া-৯৭ ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে উক্ত ব্যাচের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে এক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহামায়া বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের খোকন, মহামায়া বাজার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাধারন সাধারন সম্পাদক সোহরাব হোসেন কুসুম, সমাজসেবক আঃ ছাত্তার বেপারী প্রমূখ।
উক্ত ব্যাচের সদস্য শাহজালাল খোকা, সাজ্জাদুল হক সোহাগ, আলমগীর সরকার, শাহাদাত হোসেন মিঠু, মিলন হাজী, ওয়াহেদ উল্যাহ দোলন, জসিম উদ্দিন হৃদয়, প্রণয় রায়, জসিম উদ্দিন পাটওয়ারী, তুহিন বেপারী, অরুণ ঘোষ সহ উক্ত ব্যাচের অন্যান্য সদস্য ও বিভিন্ন সামাজিক নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
দেশ ও জাতি এবং মহামায়া-৯৭ ফাউন্ডেশনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে ইফতার মাহফিলে মিলাদ ও দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া শামসুল উলূম মহামায়া মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মোঃ নাহিদুল ইসলাম।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।