বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর লঞ্চঘাটে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়, নেই ভোগান্তি

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫, ৮:৩৯ পিএম
চাঁদপুর লঞ্চঘাটে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়, নেই ভোগান্তি

আগামী ১ এপিল মঙ্গলবার সারাদেশে উদযাপিত হবে মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপনে আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী থেকে চাঁদপুর ঘাট হয়ে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। প্রতি বছরের মতো এবারও ঘরমুখো মানুষ বেছে নিয়েছেন চাঁদপুরের নদীপথ।

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখা যায়, চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনালে বেড়েছে ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভিড়। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে চাঁদপুরে আসতে পেরে যাত্রীদের চোখেমুখে আনন্দের ছাপ।

যাত্রীদের হয়রানিমুক্ত রাখতে বারবার মাইকিং করছে প্রশাসন। কিন্তু লঞ্চ থেকে যাত্রীরা নামার সঙ্গে সঙ্গেই সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকরা যাত্রীদের লাগেজ ধরে টানাটানি করছেন। আবার চাওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া। তবে পুলিশ সদস্যদের তৎপরতায় হয়রানি এড়াতে সক্ষম হচ্ছেন অনেকেই। এছাড়া ঘাটে রয়েছে নৌ পুলিশের ভ্রাম্যমাণ টিম। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে লঞ্চঘাটে পুলিশের সঙ্গে কাজ করছেন বিআইডব্লিউটিএ, ফায়ার সার্ভিস, আনসার ও স্কাউটের সদস্যরা।

ঢাকা থেকে ঈদ করতে আসা আবির হোসেন বলেন, ঈদের দিনটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের সবার সাথে ঈদ করতে লঞ্চে করে আসলাম। লঞ্চ জার্নি আরামদায়ক, তাই লঞ্চে সব সময় যাতায়াত করি। ঈদের সময় বলে এখন একটু ভিড় বেশি।

Model Hospital

চাঁদপুর থেকে বরিশালগামী যাত্রী তানিয়া বলেন, চাঁদপুর লঞ্চঘাটে লঞ্চের জন্য অপেক্ষা করছি। দেরি হলে শরিয়তপুর হয়ে যেতে হবে। বাসের থেকে লঞ্চে যাতায়াত সুবিধা। পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দটুকু ভাগাভাগি করতে বাড়ি যাচ্ছি।

চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম এস ইকবাল জানিয়েছেন, যাত্রীদের সকল সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে নৌ পুলিশ সার্বক্ষণিক লঞ্চঘাটে অবস্থান করছে। বিশেষ করে আমাদের একটু কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। এখানে যাত্রীরা যে কোন অভিযোগ করলে সাথে সাথে ব্যবস্থা করা হবে। নৌ পুলিশের পাশাপাশি কোস্টগার্ড, ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা নদীতে টহল দিচ্ছে।

উল্লেখ্য: চাঁদপুর লঞ্চঘাট থেকে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, বরিশালসহ বিভিন্ন অঞ্চলে অর্ধশতাধিক লঞ্চ যাতায়াত করে। চাঁদপুর ছাড়াও নোয়াখালী, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর, শরীয়তপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলার হাজারও মানুষ এই নৌরুট ব্যবহার করে থাকেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।