বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

বিএনপি সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক সরকার হান্নানের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৫, ৮:৪২ পিএম
বিএনপি সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক সরকার হান্নানের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন
চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বৃহত্তর মতলব উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট ফজলুল হক সরকার হান্নান এর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন।
রাষ্ট্রীয় সালাম গার্ড অব অর্নার প্রদান করেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার  মাহমুদা কুলসুম মনি ও মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রবিউল হক।
৬ এপ্রিল রবিবার সকালে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। ইন্না—রাজেউন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৮২ বছর। মৃত্যুকালে তিনি ২ পূত্র, ১ কন্যা, স্ত্রী সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
 ৭ এপ্রিল সোমবার সকাল ১০ টায় নিশ্চিন্তপুর স্কুল ও নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজ মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক জিতুর উপস্থাপনায় মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া চেয়ে বক্তব্য রাখেন,  চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক, ঢাকা থেকে আগত মরহুমের ভাগিনা কমিশনার এবি ছিদ্দিকুর রহমান, মরহুমের বড় ছেলে মেহেদী হাসান সবুজ।
উপস্থিত ছিলেন, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব ড. জালাল উদ্দিন, শিক্ষানুরাগী হাজী এবি মঈন উদ্দিন, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানভীর হুদা শুভ, বিএমএসএসইউ এর মেডিসিন বিভাগের ডিন ও চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ শামীম আহমেদ, ড্যাব নেতা অধ্যাপক ডাঃ সরকার শামীম আহমেদ, হাসানপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ জাকির হোসেন জামাল, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিষ্টার ওবাইদুর রহমান টিপু, নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজ গর্ভনিংবডির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মতিউর রহমান ঝন্টু, মতলব দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এমএ শুকুর পাটোয়ারী, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক বাদল সহ অসংখ্য রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ জানাজায় অংশগ্রহণ করেন।
জানাজা শেষে দলীয় নেতৃবৃন্দ মরহুমের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
জানাজায় আগত সকলে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন ও তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবার পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। প্রথম জানাজা ঢাকায় এবং দ্বিতীয় জানাজা নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে মরহুমকে তাঁর গ্রাম ব্রাহ্মণচক কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মরহুমের কফিনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ফুলের তোড়া দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।