বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

৩ হাজার ঘর করে দিয়েছে শাহরাস্তির আয়েত আলী ভুঁইয়া মেহনতী কল্যাণ ট্রাস্ট

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ মে, ২০২৫, ১০:৫২ পিএম
৩ হাজার ঘর করে দিয়েছে শাহরাস্তির আয়েত আলী ভুঁইয়া মেহনতী কল্যাণ ট্রাস্ট
শাহরাস্তিতে ২৭ বছর ধরে ৩ হাজার ১শ ১৯’ টি গৃহ নির্মাণ ঘর হতদরিদ্র অসহায়দের নির্মাণ করে দিয়েছেন আয়েত আলী ভুঁইয়া মেহনতী কল্যাণ ট্রাষ্ট। তারই ধারাবাহিকতায় এবার আবার ১২ পরিবারের মাঝে গৃহনির্মাণের জন্য ঢেউটিন ও নগদঅর্থ বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলার কাঁকৈরতলা জিকে দাখিল মাদরাসা মাঠে এ গৃহ নির্মাণ সামগ্রী সুবিধাভোগীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে , ওই ফান্ডের প্রতিষ্ঠাতা ও শাহরাস্তি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আয়েত আলী ভুঁইয়া ১৯৯৮ সালে থেকে নিজস্ব যাকাত ফান্ডের অর্থায়নে গৃহ নির্মাণ সামগ্রী সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
তিনি আরো বলেন, আমি এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়কে প্রাধান্য দেইনা, সৎ ও নামাজি হলেই এ সহযোগিতা করছি। এটা গরিব ও অসহায় হতদরিদ্রদের পাওনা হক, আমি আমার দায়িত্ব বোধ থেকে সে পাওনা পরিশোধ করার চেষ্টা করছি।
এ পর্যন্ত তিনি নিজ জেলাসহ সমগ্র দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৩ হাজার ১ শত ১৯ টি ঘর নির্মাণ করেছেন।
আগামিতে এ ঘরের সংখ্যা ৫ হাজারে উন্নতি করণের পরিকল্পনা রয়েছে তার।
বর্তমানে দেশের শাহরাস্তি, হাজীগঞ্জ, কচুয়া, মতলব, চাঁদপুর, লাকসাম, দিনাজপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও তিনি  ওই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৪৮ টি পরিবারকে উন্নত মানের স্টীল শীটের ঢেউটিন ও নগদ টাকা সহায়তার জন্য মনোনীত করেন।
গত বৃহস্পতিবার (১-মে) শাহরাস্তি অঞ্চলের ১২টি সুবিধাভোগী পরিবারের মাঝে এই গৃহনির্মাণ সামগ্রী ও নগদ অর্থ তাদের হাতে তুলে দিয়ে এ কার্যক্রম আবার উদ্বোধন করলেন।
এদিকে সুবিধাভোগী রায়শ্রী উত্তর ইউপির যাদবপুর গ্রামের শাহিনা আক্তার টিন পেয়ে ভেজায় খুশি। আসন্ন বর্ষার পূর্বে এই টিন দিয়ে ঘর তৈরি করে কষ্ট ঘোচাবেন বলে জানান তিনি।
টামটা উত্তর ইউপির বলশীদ গ্রামের শামছুন্নাহার জানান, এ টিন তার জীবন বদলে দিয়েছে। মাথা ঘুজাবার একটি অবলম্বন পেলেন।
পরিশেষে ২৭ বছর ধরে এই মহান কার্যক্রম পরিচালনাকারী দানবীর আলহাজ্ব আয়াত আলী বলেন, আমি নামাজি ও পরহেজগার পরিবারকে প্রাধান্য দিয়ে থাকি। ধর্মভিরু লোকরা আল্লাহর প্রতি সর্বসময় অনুগত প্রদর্শন করে। এসব লোক ভালো মানুষ হয়ে থাকে।
ওই সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিম পাটোয়ারী লিটন, সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ রূপণ পাটওয়ারী ,মমতাজ উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল হোসেন, যুবদলের আহবায়ক আলী আজগর মিয়াজী, সদস্য সচিব এহেতেশামুল হক গনী, যুগ্ম আহবায়ক মাসুদ আলম, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাসুদ শিকদার, পৌর বিএনপি নেতা মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।