বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় চাঁদাবাজি ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে দুজন আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ মে, ২০২৫, ১০:৫৫ পিএম
কচুয়ায় চাঁদাবাজি ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে দুজন আটক
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার রহিমানগর বাজারে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে চাঁদাবাজি এবং জোরপূর্বক নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মোট সাতজনের বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন এক ভুক্তভোগী।
অভিযোগকারী মো. হাবিবুর রহমান (৪৭), চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার মকিমাবাদ (বকুলতলা রোড) এলাকার বাসিন্দা। তিনি দাবি করেন, ২০০৮ সাল থেকে রহিমানগর বাজারে জেলা পরিষদের তিনটি দোকান ইজারা নিয়ে ভাড়া দিয়ে আসছেন। ওমর ফারুক ও দ্বীন ইসলাম নামের দুই ব্যক্তি ‘ডিজিটাল সাইন অ্যান্ড অফসেট প্রেস’ এবং ‘ভূঁইয়া মেশিনারিজ’ নামে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন তার দোকানগুলোতে।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় মো. জিলানী, সুজন মিয়া, সোহাগ মিয়া, জাকির হোসেন, মিজান, কাউছার ও ফারুক হোসেনসহ আরও ৭-৮ জন দীর্ঘদিন ধরে ওই বাজারের দোকানদারদের কাছে নিয়মিতভাবে চাঁদা দাবি করে আসছেন। চাঁদা না দিলে দোকানে তালা লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়া হয়।
হাবিবুর রহমানের দাবি, তার ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে প্রতিমাসে মোট ২৪ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এছাড়া ভাড়াটিয়া সুজন, জিলহজ্ব ও সেকান্তরের কাছ থেকেও একই কৌশলে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এক পর্যায়ে অভিযুক্তরা তার দোকানে এসে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং তা না দেওয়ায় দোকানে তালা লাগিয়ে দেয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, ৩ ও ৪ নম্বর অভিযুক্তের মোবাইল নমার থেকে সাক্ষীদের ফোনে হুমকি দেওয়া হয়। হাবিবুর রহমান দাবি করেন, দোকানে লাগানো সিসি ক্যামেরার ফুটেজে এসব ঘটনার প্রমাণ রয়েছে।
তিনি বলেন, “এই সন্ত্রাসীদের কারণে বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে, কিন্তু ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।”
বাজার কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ দেন হাবিবুর রহমান।
এদিকে গতরাতে অভিযান চালিয়ে মামলার ২ নম্বর আসামি সুজন মিয়া (৩০), পাড়াগাঁও গ্রামের ইমান আলীর ছেলে, এবং ৫ নম্বর আসামি কাউছারকে আটক করে পুলিশ।
এ বিষয়ে কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিজুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা দুজনকে আটক করেছি এবং তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।”

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।