বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

‘অরুণোদয়’ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আল আমিন মিয়াজী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ মে, ২০২৫, ৯:৪৭ পিএম
‘অরুণোদয়’ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আল আমিন মিয়াজী

জাতীয় সাপ্তাহিক ‘অরুণোদয়’ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন চাঁদপুরের প্রগতিশীল সাংবাদিক, সাহিত্যিক,স্বেচ্ছাসেবী ও সংগঠক আল আমিন মিয়াজী। তিনি ০৪ মে, রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই দায়িত্ব বুঝে নেন।

আল আমিন মিয়াজী সাংবাদিকতা, সাহিত্যচর্চা, স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে মানবিক কাজের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। তিনি চাঁদপুর জেলাধীন মতলব দক্ষিণ উপজেলার পৌরসভাধীন ০২ নং ওয়ার্ডের ধনারপাড় মিয়াজী বাড়িতে ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৯১ খ্রি. তারিখে জন্মগ্রহণ করেন।নিজ গ্রামে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হন মুন্সীরহাট কলেজে। এরপর চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রী সম্পন্ন করে মাস্টার্স করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সরকারি তিতুমীর কলেজ থেকে। এছাড়াও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধীন ঢাকা ল’ কলেজ থেকে এল এল বি প্রফেশনাল ডিগ্রি অর্জন করেন।

সাংবাদিক, লেখক ও সংগঠক আল আমিন মিয়াজী ২০১০ সালে প্রথম চাঁদপুর কন্ঠ পত্রিকার “পাঠক ফোরাম” বিভাগে লেখালেখির মাধ্যমে সাহিত্যাঙ্গণে পদচারণা শুরু করেন। এই সময় তিনি লেখালেখির পাশাপাশি সংস্কৃতি, স্বেচ্ছাসেবী, সামাজিক ও শিক্ষামূলক কাজেও জড়িয়ে পড়েন। ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে রংধনু, চাঁদপুরের কার্যক্রম শুরু করেন। একই বছর ০১জুন তারিখে তিনি অঙ্গীকার বন্ধু সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। লেখালেখির হাতেখড়ি থেকে সাংবাদিক বন্ধুদের পরামর্শে সাংবাদিকতায় যুক্ত হন আল আমিন মিয়াজী। তিনি চাঁদপুর টাইমস পত্রিকায় মতলব প্রতিনিধি হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। এরপর দৈনিক সুদিপ্ত চাঁদপুর এর স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক আদি বাংলা পত্রিকায় বিভাগীয় সম্পাদক, নিউজ পোর্টাল ‘প্রিয় সময়’ এর স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, প্রাইম টিভির বিশেষ প্রতিনিধি, বাংলা রিপোর্টের স্টাফ রিপোর্টার এবং দৈনিক প্রিয় চাঁদপুর পত্রিকায় বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে তিনি নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদেও দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে তিনি অঙ্গীকার বন্ধু সংগঠন ও যুবকল্যাণ সংস্থা -এর সভাপতি, সাহিত্য মঞ্চ চাঁদপুর-এর সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আবৃত্তি সংগঠন সনক-এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন।

Model Hospital

নতুন দায়িত্ব নিয়ে আল আমিন মিয়াজী বলেন—“অরুণোদয় একটি মুক্তচিন্তার প্ল্যাটফর্ম। আমি চাই এটি শুধু সংবাদ নয়, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের পথপ্রদর্শক হোক। এই যাত্রায় সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করছি।”

পত্রিকার প্রধান সম্পাদক সাঈয়েদুল আরেফিন শ্যামল তাঁর প্রতি আস্থা প্রকাশ করে বলেন, “আল আমিন মিয়াজীর নেতৃত্বে অরুণোদয় আরও সাহসী, মননশীল ও তরুণদের জন্য উন্মুক্ত এক মঞ্চে পরিণত হবে।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।