শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলবে রাস্তা সম্প্রসারণের নামে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গাছ কাটার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫, ১২:১৭ পিএম
মতলবে রাস্তা সম্প্রসারণের নামে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গাছ কাটার অভিযোগ

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে মাটির রাস্তা পুননির্মাণ করতে গিয়ে রাস্তার দু’পাশের বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছ কেটে উপড়ে ফেলাসহ রাস্তা সংস্কার কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুস সালাম মৃধা মামুন ও মাটি কাটার ঠিকাদার মানিক আব্বাসীর বিরুদ্ধে।

নিয়মানুযায়ী শ্রমিক দিয়ে মাটি কেটে রাস্তা পুনঃনির্মাণের কথা থাকলেও, এক্সকেভেটর (ভেকু) মেশিন দিয়ে রাস্তার কাজ করা হচ্ছে এবং ওই মাটিকাটার মেশিন দিয়েই গাছগুলো উপড়ে ফেলা হয় বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

খোজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার ২নং নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউনিয়নের লাকশিবপুর গ্রামের সরকার বাড়ি থেকে কামাল প্রধানীয়া বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা পুনঃনির্মাণের জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কার্যালয়ের কাবিখা প্রকল্পের আওতায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। যা ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়নের নিয়ম রয়েছে।

প্রকল্পের নিয়মানুযায়ী, ওয়ার্ড মেম্বার প্রকল্পের সভাপতি হওয়ার কথা থাকলেও মানা হয়নি কোন নিয়ম। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি ছাড়াই চেয়ারম্যান নিজেই নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রকল্পের কাজ শুরু করেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

Model Hospital

এদিকে শ্রমিক দিয়ে মাটি কেটে রাস্তা নির্মাণের কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এক্সকেভেটর (ভেকু) মেশিন দিয়ে মাটি কেটে রাস্তার কাজ করার জন্য স্থানীয় ভেকু ব্যবসায়ী মানিক আব্বাসীকে টেন্ডার দেন। মানিক আব্বাসী স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় নিয়মবহির্ভূত ভাবে জোরপূর্বক রাস্তার দুই পাশের ব্যক্তি মালিকানা বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে এবং স্বমুলে উপড়ে ফেলেন।

সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, রাস্তার দু’পাশে একাধিক বনজ (কড়ই) ও ফলজ (আম, কাঠাল, তাল) গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে এবং সেগুলো রাস্তার পাশেই পড়ে আছে।

স্থানীয় ভূক্তভোগী ওয়ালীউল্লাহ সরকার, ফারুক সরকার, হান্নান সরকারসহ একাধিক ভূক্তভোগী জানান, ভেকু মেশিনের মালিক মানিক আব্বাসী নিয়মবহির্ভূত ভাবে জোরপূর্বক রাস্তার দুই পাশে আমাদের ব্যক্তি মালিকানা বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে উপড়ে ফেলছেন। তাকে বাঁধা দেওয়া হলে তিনি দলীয় এবং স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন হুমকি-ধমকি দেন। স্থানীয়রা জানান, চেয়ারম্যানের নির্দেশ ছাড়া মানিক আব্বাসী কিভাবে রাস্তায় মাটি কাটে এবং গাছ কেটে উপড়ে ফেলে।

এ বিষয়ে ভেকুর মালিক মানিক আব্বাসীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

গাছ কাটা প্রসঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মৃধা মামুন বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি। কোনোভাবেই রাস্তার পাশের পরিবেশবান্ধব গাছ কাটা উচিত নয়। আমি ভেকুর মালিক মানিক আব্বাসীকে বলেছি কাজ করতে গিয়ে কারো যেন কোন ক্ষতি না হয়। আমি সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টি দেখবো। ভেকু দিয়ে মাটিকাটার নিয়ম আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলে, বদলা দিয়ে মাটি কেটে কি রাস্তা করা যাইবো?

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital