বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

পরকীয়া প্রেমের অভিযোগে ইউসিবি ব্যাংক বাবুরহাট শাখার ইনচার্জ রফিকুল আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ মে, ২০২৫, ১০:০৭ পিএম
পরকীয়া প্রেমের অভিযোগে ইউসিবি ব্যাংক বাবুরহাট শাখার ইনচার্জ রফিকুল আটক
চাঁদপুরে পরকীয়া প্রেম ও অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগে ইউ সি বি  ব্যাংক কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে।
৮ মে বৃহস্পতিবার সকালে ভুক্তভোগী স্বামীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে মডেল থানার এসআই নুরুল আমিন অভিযুক্ত ইউসিবি ব্যাংক বাবুরহাট আঞ্চলিক শাখার কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ এর জন্য থানায় নিয়ে আসেন।
অভিযোগের বাদী ভুক্তভোগী মেহেদী আল মাহমুদ জানায়, ইউ সি বি ব্যাংক পাল বাজার প্রধান শাখায় একাউন্টে লেনদেন করতে গিয়ে তার স্ত্রীর সাথে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলে ব্যাংক কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম। স্ত্রীকে ইউরোপ নেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার নাম ব্যবহার করে পাসপোর্ট তৈরি করে সে। তার সাথে পরকীয়া প্রেমে জড়ানোর পর থেকে তার স্ত্রী সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করে আসছে।
কিছুদিন পূর্বে স্ত্রীকে বাবুরহাট রোডের মাথায় ব্যাংক কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের সাথে একসাথে ধরা হয়।
এ সময় রফিকুল ক্ষিপ্ত হয়ে মারধর করার চেষ্টা করলে আশেপাশের লোকজন রক্ষা করে। তারপর থেকে স্ত্রী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গিয়ে নিখোঁজ রয়েছে। পরকীয়ার ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর রফিকুল ইসলাম চাঁদপুর পাল বাজার ইউ সি বি ব্যাংক থেকে বদলি হয়ে বাবুরহাট উপ শাখার ইনচার্জ হিসাবে যোগদান করেন।
এদিকে থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর থেকে রফিকুল ইসলামকে ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য চাঁদপুর পাল বাজার ইউ সি বি ব্যাংক ম্যানেজার রাজনৈতিক দলের নেতাদের সহযোগিতা নিয়ে তদবির করতে শুরু করে ও বাদীকে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যাংক কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানায়, ব্যাংকে লেনদেন করতে এসে মেহেদী আল মাহমুদের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক হয়েছে।  নোয়াখালী জেলায় তার প্রথম স্ত্রী সন্তান থাকে। প্রথম স্ত্রীর কথা জেনেও মেহেদী আল মাহমুদের স্ত্রী স্বেচ্ছায় বিয়ে করার জন্য রাজি হয়।
পুলিশ জানায়, অপরের স্ত্রীকে প্রলোভন দেখিয়ে পরকীয়া সম্পর্ক তৈরি করার ঘটনায় স্বামীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ব্যাংক কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামকে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানায় পুলিশ।
এ বিষয়ে চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ বাহার মিয়া জানান, পরকীয়া সংক্রান্ত এক ব্যাক্তির অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পরবর্তীতে যে অভিযোগ দিয়েছে, তিনি তার অভিযোগ তুলে নেয়ায় তাকে কয়েক ঘন্টা পর ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
এদিকে অভিযোগ উঠেছে এই ব্যাংক কর্মকর্তা এর আগেও অনেক সংসার নষ্ট করেছে। মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে মোবাইল ফোনে প্রবাসী স্ত্রীদের পটিয়ে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলে এ সকল ব্যাংক কর্মকর্তারা। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানান ভুক্তভোগীরা। তা না হলে প্রবাসীর স্ত্রীরা পরকী আসক্ত হয়ে স্বামী সন্তান রেখে পালিয়ে যাবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital