বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে জোড়াতালি দিয়ে দোকানরঘর-হরিণা সড়ক সংস্কার

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫, ৮:৩৪ পিএম
চাঁদপুরে জোড়াতালি দিয়ে দোকানরঘর-হরিণা সড়ক সংস্কার

চাঁদপুর সদর উপজেলার নানুপুর চৌরাস্তা থেকে হরিণা ফেরিঘাট এলাকার চৌরাস্তা পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়কের অবস্থা বেহাল। চলাচলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে সড়কটি। বর্তমানে সড়কের সংস্কার কাজ চললেও মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দোকানঘর থেকে হরিণা ফেরিঘাট চৌরাস্তা পর্যন্ত হাইমচর উপজেলার বাসিন্দাদের জেলা সদরে আসার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এটি। অন্য সড়ক দিয়ে আসার ব্যবস্থা থাকলেও সময় ও অর্থ কম ব্যয় হয় এই সড়কে। গত এপ্রিলে সড়কের দোকানঘর থেকে বহরিয়া বাজার পর্যন্ত দুই কিলোমিটার সংস্কার কাজ শুরু হয়। এরইমধ্যে এক কিলোমিটার কাজের কোনোরকম কার্পেটিং হয়েছে। কিন্তু সড়কটির উঁচু-নিচু (ওয়েব) অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি।

সংস্কার কাজের মান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বহরিয়া এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন ও মো. হাসান বলেন, ‘সড়কের গর্তগুলো আগের মতই রয়েছে। ভারী যানবাহন চলাচল করে সড়কটি উঁচু-নিচু হয়ে আছে। যানবাহন খুবই ধীরগতিতে চলে। রাতের বেলায় আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে সড়কটি।’

এ বিষয়ে সড়ক বিভাগ চাঁদপুরের (সড়ক শাখা-২) এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. জসিম উদ্দিন বলেন, আপাতত আমরা সড়কটির সংস্কার কাজ করছি। দোকানঘর থেকে বহরিয়া বাজার পর্যন্ত দুই কিলোমিটার সড়ক সংস্কার কাজ করা হচ্ছে। এজন্য ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। বরাদ্দ অনুসারে কাজ হচ্ছে।

Model Hospital

জোড়াতালি দিয়ে এবং উঁচু-নিচু ঠিক না করে সংস্কার করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নানুপুর থেকে হরিণা পর্যন্ত ১০ কিলোমিটারের বেশি সড়ক নির্মাণের জন্য ১৮ কোটি টাকার প্রকল্প দেওয়া আছে। অনুমোদন হলে পুরো সড়কটি নির্মাণ করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।