বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তির চিতোষী কলেজে অধ্যক্ষ নিয়ে উত্তেজনা, মুখোমুখি দুই পক্ষ

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ মে, ২০২৫, ৪:২৭ পিএম
শাহরাস্তির চিতোষী কলেজে অধ্যক্ষ নিয়ে উত্তেজনা, মুখোমুখি দুই পক্ষ

চাঁদপুরের শাহরাস্তির ঐতিহ্যবাহী চিতোষী ডিগ্রি কলেজে অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেনের প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে শনিবার (২৪ মে) দুপুরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কলেজ ক্যাম্পাসে তার সমর্থক ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কামরুল ইসলামের অনুসারীদের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কলেজে উপস্থিত হন শাহরাস্তি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিরুপম মজুমদার। তার নেতৃত্বে একটি যৌথ বাহিনী কলেজ পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা গেছে, আনোয়ার হোসেন ৫ আগস্টের আগে কলেজের নিয়মিত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। কিন্তু গত জুলাইয়ে একটি রাজনৈতিক উত্তাল পরিস্থিতিতে তাকে ‘স্বৈরাচারের সহযোগী’ আখ্যা দিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা পদত্যাগে বাধ্য করেন। তখন তার ওপর শারীরিকভাবে হামলার অভিযোগও উঠে। বাধ্য হয়ে তিনি পদত্যাগ করেন।

তার অনুপস্থিতিতে কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষক মো. কামরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেন। স্থানীয় মহলে তাকে ঘিরেও বিতর্ক তৈরি হয়। অনেকেই তাকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে দাবি করে আসছিলেন। তবে এ নিয়ে প্রকাশ্যে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Model Hospital

অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন পদচ্যুতি নিয়ে আইনি লড়াই শুরু করেন। পরবর্তীতে তার এমপিও পুনরায় অনুমোদিত হলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) তাকে কলেজের নিয়মিত অধ্যক্ষ হিসেবে পুনর্বহাল করে। আজ শনিবার তিনি কলেজে যোগ দিতে এলে তার উপস্থিতি ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা, পরে তা হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় রূপ নেয়। এতে উভেয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়। উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন মাঠে নামে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিরুপম মজুমদার বলেন, “আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারবে না। কলেজের সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এখন পর্যন্ত কেউ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেনি। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।