বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ভালোবাসার তিন বছরের শেষ পরিণতি; ফরিদগঞ্জে বিথীর গলায় ফাঁস!

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫, ৯:২৯ পিএম
ভালোবাসার তিন বছরের শেষ পরিণতি; ফরিদগঞ্জে বিথীর গলায় ফাঁস!

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সায়েরা আক্তার বিথী (২২) নামের এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (২১ জুন) বিকেলে উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের মানিকরাজ গ্রামের জাল্লা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

বিথী মানিকরাজ গ্রামের প্রবাসী মো. সাগরের স্ত্রী। তার পিত্রালয় পাবনা জেলায়। এদিকে আত্মহত্যার ঘটনা রহস্যময় দাবী করছেন স্থানীয়রা।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিন বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে বিথীর সঙ্গে সাগরের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে কোনো অস্বাভাবিকতা ছিল না বলে দাবি স্বজনদের। এক বছর আগে সাগর জীবিকার তাগিদে বিদেশে যান।

শনিবার দুপুরে বিথীর পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে দুপুরের খাবার খেয়ে যার যার কক্ষে বিশ্রাম নেন। বিথীর শাশুড়ি নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। এ সময় বিথী বাহির থেকে শাশুড়ির কক্ষের দরজা আটকে দিয়ে নিজের ঘরে প্রবেশ করে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন।

Model Hospital

পরে শাশুড়ি ঘুম থেকে উঠে দরজা খুলতে না পেরে ডাক-চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে বের করেন। তখন বিথীর কক্ষের দরজাও বন্ধ দেখে সবাই উদ্বিগ্ন হন। দরজা খোলার অনুরোধে সাড়া না পেয়ে জানালার থাইগ্লাস খুলে দেখা যায়, বিথী ঘরের ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছেন।

স্থানীয় লোকজন বিথীর কক্ষের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। পরে থানায় খবর দিলে ফরিদগঞ্জ থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ্ আলম বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।