বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে আলমগীর হত্যাকান্ডের মাস্টারমাইন্ড তপন ঢাকায় গ্রেপ্তার

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ জুন, ২০২৫, ১০:৪৯ পিএম
শাহরাস্তিতে আলমগীর হত্যাকান্ডের মাস্টারমাইন্ড তপন ঢাকায় গ্রেপ্তার
শাহরাস্তি উপজেলার চাঞ্চল্যকর দিনমজুর আলমগীর হোসেন (৩৭) হত্যা মামলার আসামি মাস্টারমাইন্ড ও ঘাতক মোঃ তাজুল ইসলাম তপনকে (৪৩) ঢাকার উত্তর খান থেকে আটক করেছে শাহরাস্তি পুলিশ।
ওই হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিকে আটক করতে চাঁদপুর পুলিশের একটি বিশেষ টিম দীর্ঘদিন ধরে আধুনিক ডিভাইস ব্যবহার করে আইনি ব্যবস্থা ও জাল পেতে রাখে।
অবশেষে (২৪- জুন) মঙ্গলবার রাতে তপন ছদ্মবেশে ঢাকার উত্তর খানে হকারি করে জুতা বিক্রির সময় পুলিশ তাকে হাতেনাতে আটক করে। ওই রাতে পুলিশ বিশেষ ব্যবস্থায় শাহরাস্তি মডেল থানায় নিয়ে আসে তাকে।
গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল বাসার। এ বিষয়ে পুলিশ জানায়,ওই  হত্যাকান্ডের পর মামলার দুই নাম্বার আসামি তপন আত্মগোপনে চলে যায়। ২০২৪ সালের ১৭ ই মার্চ সোমবার দিনগত রাত ৮ টার সময় উপজেলার চিতোষী পূর্ব ইউপির মনিপুর গ্রামের সোলেমান মাস্টার (বেপারী বাড়ির) সৌদি আরব প্রবাসী মানিকের বাসার ছাদে রমজানে সময় মামলার ১নং আসামি মাহমুদা আক্তার সোনিয়া (৩০), তার মামাশ্বশুর তপন যোগসাজসে আলমগীরকে গলা কেটে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
একই সঙ্গে সে আলমগীরের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে লিপ্ত ছিল বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়।
অভিযুক্ত তপন ওই ইউপির খিতারপাড় গ্রামের মোহাম্মদ শামসুল হকের পুত্র এবং ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম স্বপনের ছোট ভাই।
হত্যাকান্ডের শিকার আলমগীর ওই ইউপির একই গ্রামের নতুন বাড়ির মৃত শহীদ উল্লাহর পুত্র। তিনি মৃত্যুর সময় এক ছেলে ও দুই কন্যা সন্তান প্রিয়তমা স্ত্রী তাসলিমা বেগমকে রেখে যান। স্ত্রী জানান, পরকীয়ার প্রশ্নই আসেনা তার স্বামী ছিল একজন নম্র ভদ্র মানুষ। প্রচারণার কাজে ব্যবহৃত মাইকিং পেশা (মাইকম্যান) ও বটবটি চালিয়ে, গাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ করত সে।সোনিয়ার নিকট পাওনা ১৬ লাখ টাকাই তার মৃত্যুর জন্য কাল হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ওসি আবুল বাসার বলেন, তপনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসা বাদ শেষে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন চেয়ে চাঁদপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে তাকে। ওই সংঘটিত হত্যাকান্ডে মামলার ১নং আসামি সোনিয়াপূর্বে আটক ছিল। এছাড়া তপন ব্যতীত কারা জড়িত রয়েছে। রহস্য উন্মোচনে এই রিমান্ড আবেদন। একই সঙ্গে মূল আসামিকে আটক করে তিনি শুকরিয়া আদায় করেন।
নিহতের ভাই ও মামলার বাদী মোঃ রফিকুল ইসলাম (৪০) ঘাতক তপনকে আটকে শুকরিয়া আদায় করেছেন। তিনি তার ভাইয়ের হত্যাকাণ্ডের দেশের প্রচলিত আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।
আসামি আটকের সংবাদে এ এসপি কচুয়া সার্কেল মোঃ আব্দুল হাই শাহরাস্তি মডেল থানা পরির্দশন করেছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।