বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মোস্তফা মহসীন মন্টু ও ফজলুল হক সরকারের স্মরণে শোক সভা

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫, ৭:১২ পিএম
মোস্তফা মহসীন মন্টু ও ফজলুল হক সরকারের স্মরণে শোক সভা

মোস্তফা মহসীন মন্টু ও অ্যাড. ফজলুল হক সরকারের স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ডা. মোঃ মিজানুর রহমান।

গণফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা মহসীন মন্টু ও গণফোরাম উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. ফজলুল হক সরকারের স্মরণে জেলা গণফোরামের আয়োজনে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৮ জুন)  সকালে চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় গণফোরামের সদস্য ও জেলা গণফোরামের সভাপতি অ্যাডঃ সেলিম আকবরের সভাপতিত্বে ও শহর গণফোরাম সাধারন সম্পাদক মাহমুদুর হাসান সুমন মিজির সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন গণফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক লতিফুল বারি হামিম, কোষাধক্ষ্য শাহ নুরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক চিত্রশিল্পী আজাদ হোসেন, লক্ষ্মীপুর জেলা গণফোরামের আহ্বায়ক বোরহান উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক রওশন ইয়াজদানী।

প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি শেকসভায়। অ্যাডঃ ফজলুল হক সরকার গণফোরামের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।

Model Hospital

তিনি ২০২৪ সালের ৩০ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।মুক্তিযুদ্ধে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। ছাত্র রাজনীতিতে ভূমিকা রেখেছিলেন। শুধু মুক্তিযোদ্ধা নয় সকল আন্দোলন সংগ্রামেই নয় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন। চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী বারে তিনি নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন।

একটি আইন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। এ জেলায় শিক্ষিত সমাজ পেশায় ঘুরে দাঁড়াতে পারে সেজন্য ছিল তার ভূমিকা। ফজলুল হক সরকার শিক্ষা অনুরাগ  হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন। আমরা গণফোরামের এক বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদকে হারিয়েছি।

তিনি অসুস্থ শরীরে শেখ হাসিনার হটানোর আন্দোলনে ঢাকায় আমাদের সাথে রাজপথে ছিলেন। আমরা গত কিছুদিন পূর্বে আরো একজন আইনজীবী ও গণফোরাম উপদেষ্টা  গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট মেজবাহ উদ্দিনকে হারিয়েছি। কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিককে আমরা হারিয়েছি।

আমরা সর্বশেষ হারিয়েছি গণফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ঢাকা মহানগর দক্ষিণ মুক্তিযোদ্ধা গেরিলা বাহিনীর বিএলএফ বাহিনীর প্রধান বীর মুক্তিযুদ্ধা সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা মহসীন মন্টুকে। ৬০ এর দশক থেকে ছাত্র আন্দোলনের প্রতীকৃত, ৯০ এর গণআন্দোলন ও সর্ব শেষ শেখ হাসিনা হটানোর আন্দোলন সহ বহু আন্দোলনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন রাজপথে থেকে।

তিনি বয়সের শেষে এসে ফুসফুসে রোগে আক্রান্ত হন। অক্সিজেন সিলিন্ডার সাথে নিয়ে শেখ হাসিনার পতনের  আন্দোলনে রাজপথে সভা সমাবেশে, খোলামাঠে এসে বক্তব্য দিয়েছেন। কয়েকদিন আগে তিনিও পরপারে  চলে গেছেন। ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ সংবিধানের প্রনেতা,আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আইনজিবী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানবধিক প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের পক্ষ থেকে ঢালাও প্রতীক দায়িত্ব নিয়ে মানবাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার উদাহরণ সৃষ্টি করেছিলেন আমাদের প্রিয় নেতা ডঃ কামাল হোসেন।

তিনি আওয়ামী লীগের অসুস্থ রাজনীতির বিরুদ্ধে, সন্ত্রাস দুর্নীতি ও কালো টাকা এবং রুগদ্ধ রাজনীতির বিরুদ্ধে  সুস্থ রাজনীতির অঙ্গীকার নিয়ে গণফোরাম প্রতিষ্ঠা করেন।

শোক সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক অ্যাড. সলিম উল্যাহ সেলিম, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. মোহাম্মদ বাবর বেপারী, হাজেরা হাসমত ডিগ্রী কলেজর প্রভাষক মনিরুজ্জামান চৌধুরী, শহর জামায়াতে ইসলামির আমির অ্যাড শাহজাহান খান, বাসদ চাঁদপুর জেলা শাখার সম্ময়ক শাহজাহান তালুকদার, কমিউনিস্ট পাটির চাঁদপুর জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা গণফোরামের যুগ্ম সম্পাদক বাসুদের মজুমদার, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী আশ্রাফ বাবু, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক বিজয় মজুমদার, দপ্তর সম্পাদক ইঞ্জি সাইফুল ইসলাম, শহর গণফোরামের সভাপতি অ্যড. আবু সুফিয়ান, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদল হাসান সুমন, ফরিদগঞ্জ উপজেলা গণফোরামের সাবেক সভাপতি হাজী মাও ফারুক প্রমুখ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।