শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

স্বামীর ২৩ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে উধাও টিকটকার স্ত্রী তাছমিয়া

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫, ৭:১৩ পিএম
স্বামীর ২৩ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে উধাও টিকটকার স্ত্রী তাছমিয়া

ফরিদগঞ্জের লোহাগড়ে প্রবাসী স্বামীর ২৩ লাখ টাকার আসবাবপত্র চুরি করে পালিয়েছে স্ত্রী তাছমিয়া আক্তার ইভা। জানা যায়, লোহাগড় গ্রামের মো. শফিক বেপারীর একমাত্র প্রবাসী ছেলে ইয়াসিন হোসেন সুজনের সাথে দক্ষিণ পাইকপাড়া পালতালুক গ্রামের নোয়াব আলী মুন্সি বাড়ির (বর্তমানে দোলন চাঁপা ভিলা, প্লট নং ১৩০৬৮, দক্ষিণ খান, উত্তরা, ঢাকা) আ. কুদ্দুসের মেয়ে তাছমি আক্তার ইভার শরীয়ত মোতাবেক বিবাহ হয়। বিয়ের ৩ মাস পর ইয়াসিন হোসেন সুজন বিদেশে চলে যান। ইভার চাচা স্থানীয় দক্ষিণ পাইকপাড়া ইউনিয়নের গাজীপুর পালতালুকের যুবলীগ নেতা এবং রড সিমেন্ট ব্যবসায়ী। তিনি ভাতিজি জামাতা ইয়াসিনের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা নেন রড সিমেন্ট দিবেন বলে। আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে টাকা দেয়াতো দূরের কথা, ইট-বালুও দেন নি। ইভার সম্পর্কের চাচা স্বপন প্রভাব বিস্তার করে টাকা না দেয়ার জন্যে।

তার ভদ্রতার আড়ালে রয়েছে মাদকাসক্তি। স্বপন লোভী প্রকৃতির, সে তার ভাতিজিকে দিয়ে কাবিন-বাণিজ্য করে। ইভার বড়ো বোন তাহসিনা আক্তার ইকরাকেও একই কায়দায় আবদুল কাদের মোল্লা কলেজের প্রভাষকের কাছ থেকে তালাক নিয়ে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় বলে জানা যায়। একই কায়দায় ইয়াসিন হোসেন সুজনের নিকট হতে ১২ লাখ টাকা দাবি করে। এমনকি ধর্ষণ মামলা দিয়ে হয়রানি করবে বলে হুমকি দেয়। প্রবাসী ইয়াসিনের স্ত্রী ইভা একজন টিকটকার। তার সাথে রয়েছে অন্য ছেলের পরকীয়া সম্পর্ক। যার ফলে সে তার শ্বশুর বাড়িতে বেশি না থেকে বাবার বাড়িতে থাকাটা পছন্দ করে।

ইভা বিভিন্ন টালবাহানা করে স্বামীর কাছ থেকে নানা অজুহাত দিয়ে টাকা নিয়ে পরকীয়া প্রেমিককে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতো। এসব জানার পর প্রবাসী স্বামী স্ত্রীকে নিষেধ করলে তা কাল হয়ে দাঁড়ায়। ইভার মা দুষ্ট প্রকৃতির বললেই চলে। তার মাকে এসব কিছু জানালে তারা কোনো কর্ণপাত করেনি। গত ২৩ জুন ২০২৫ (সোমবার) ইভার স্বামীর পাঠানো টাকা, গরু বিক্রির ৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং স্বামীর দেয়া ও স্বামীর বোনেরসহ ১০ ভরি স্বর্ণালংকার (যার আনুমানিক মূল্য ১৭ লাখ টাকা) চুরি করে তার বাবার বাড়িতে চলে যায়।

এ বিষয়ে তার বাবার পরিবারকে জানালেও তারা উল্টো হুমকি দেয়। এ নিয়ে ইয়াসিনের পিতা শফিক বেপারী তার ছেলের বউসহ ৫ জনকে অভিযুক্ত করে ফরিদগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

Model Hospital

এ ব্যাপারে প্রবাসী ইয়াসিন হোসেন সুজন বলেন, সোমবার (২৩ জুন ২০২৫) আমার বোনের অপারেশন করতে গেলে আমার বাবা-মা আমার স্ত্রীকে বাড়িতে রেখে যান। এ সুবাদে রাতের আঁধারে সব কিছু চুরি করে পালিয়ে যায়। আমি বিদেশে আসার পর আমার স্ত্রীর অপকর্ম প্রকাশ হলে তার পরিবারকে জানালে উল্টো মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দিবে বলে হুমকি দেয়। তার মা আর চাচা স্বপন দুষ্ট প্রকৃতির লোক। তাদের যোগসাজশে আমাকে সর্বহারা করে দেয়। আমি একজন প্রবাসী হয়ে দেশ ও জাতির কাছে তার উপযুক্ত বিচার চাই। এ ব্যাপারে জানতে তাছমি আক্তার ইভার মোবাইল ফোনে ফোন করলে রিসিভ করেননি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital