বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

পরিবার ও শিক্ষক মহলে চরম উৎকণ্ঠা

চাঁদপুরে হিফজ বিভাগের ছাত্র নিখোঁজ

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫, ২:৪৯ পিএম
চাঁদপুরে হিফজ বিভাগের ছাত্র নিখোঁজ

চাঁদপুরের স্বর্ণখোলা রোডের দারুল ফজল মাদ্রাসা থেকে মো. সাইফ নামের এক হিফজ বিভাগের ছাত্র নিখোঁজ হয়েছে। বুধবার (আজ) দুপুর আনুমানিক ১২টা থেকে ১২টা ৩০ মিনিটের মধ্যে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ থেকে কাউকে কিছু না বলেই সে চলে যায়।

নিখোঁজ মো. সাইফের বাড়ি চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার বদরপুর গ্রামে। তার পিতার নাম মাসুদ আলম। ডাকঘর টোরা মুন্সীরহাট।

পরিবারের সদস্য ও মাদ্রাসার শিক্ষকরা জানিয়েছেন, ছেলেটির কোনো ধরনের মানসিক সমস্যা বা পূর্বের কোনো নিখোঁজ হওয়ার ইতিহাস নেই। হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ায় পরিবারের সবাই দুশ্চিন্তায় ভুগছেন।

কোনো সহৃদয় ব্যক্তি মো. সাইফের সন্ধান পেলে নিম্নোক্ত নম্বরে 01715-919028, 01711-999462, 01336-436570 যোগাযোগ করার জন্য বিনীত অনুরোধ করা যাচ্ছে।

Model Hospital

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।