বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ৬৭.২৯%,

হাজীগঞ্জে সেরা সরকারি পাইলট, দ্বিতীয় পাইলট বালিকা ও তৃতীয় আল কাউসার

সাইফুল ইসলাম সিফাত প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫, ৮:৪২ পিএম
হাজীগঞ্জে সেরা সরকারি পাইলট, দ্বিতীয় পাইলট বালিকা ও তৃতীয় আল কাউসার
চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় হাজীগঞ্জের ৩৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৯৭৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২০০৪ জন। পাশের হার ৬৭.২৯ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০৫ জন, এ গ্রেড ৭২৫ জন, এ মাইনাস ৪৭০ জন, বি গ্রেড ৩৪৬ জন, সি গ্রেড ২৫০ জন ও ডি গ্রেড ৮ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ৯৭৪ জন।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সারাদেশে একযোগে সকল শিক্ষাবোর্ডের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। উপজেলার ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাশ করার গৌরব অর্জন করেছে। এছাড়াও অর্ধেকের নিচে পাশ করেছে ১১টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

এ বছর উপজেলায় জিপিএ-৫ এর দিক থেকে সেরা হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাই স্কুল এন্ড কলেজ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ২৫১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ২৩৮ জন। পাশের হার ৯৪.৮২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৫ জন, এ গ্রেড ৮৬ জন, এ মাইনাস ৫০ জন, বি গ্রেড ১৯ জন ও সি গ্রেড ৮ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ১৩ জন।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ২১০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে শতভাগ পাশ করার গৌরব অর্জন করেছে। পাশকরা শিক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৬ জন, এ গ্রেড ১৩৫ জন, এ মাইনাস ১৮ জন, বি গ্রেড ৯ জন ও সি গ্রেড পেয়েছে ২ জন।

Model Hospital

তৃতীয় অবস্থানে আল কাউসার স্কুল। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৮৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ৭৭ জন। পাশের হার ৯০.৫৯ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪ জন, এ গ্রেড ১০ জন, এ মাইনাস ২৯ জন, বি গ্রেড ১২ জন ও সি গ্রেড ১২ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ৮ জন।

চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৯৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ৭৫ জন। পাশের হার ৮১.৫২ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ জন, এ গ্রেড ২৬ জন, এ মাইনাস ১৮ জন, বি গ্রেড ১০ জন ও সি গ্রেড ৮ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ১ জন।

পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে বড়কুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৪১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ৪০ জন। পাশের হার ৯৭.৫৬ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন, এ গ্রেড ১৪ জন, এ মাইনাস ১৩ জন ও বি গ্রেড ৪ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ১ জন।

এদিকে উপজেলার ৩৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১টি প্রতিষ্ঠানে পাশের হার অর্ধেকের নিচে অর্থ্যাৎ ৫০% এর কম। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে মৈশাইদ পল্লী মঙ্গল এজি উচ্চ বিদ্যালয়ে। এ প্রতিষ্ঠানে পাশের হার ২৮.৫৭ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রামপুর উচ্চ বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠানে পাশের হার ৩০.৭৭ শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে দেশগাঁও জয়নাল আবেদীন উচ্চ বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠানে পাশের হার ৩২.৮৮ শতাংশ।

ফলাফল বিপর্যয়ে চতুর্থ অবস্থানে রান্ধুনীমূড়া উচ্চ বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠানে পাশের হার ৩৫ শতাংশ। পঞ্চম অবস্থানে সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠানে পাশের হার ৪০.৭৪ শতাংশ। ষষ্ঠ অবস্থানে বেলচোঁ উচ্চ বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠানে পাশের হার ৪১.৪২ শতাংশ। সপ্তম অবস্থানে মেনাপুর বাদশা মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠানে পাশের হার ৪৪.৮৯ শতাংশ।

ফলাফল বিপর্যয়ে অস্টম অবস্থানে হাজীগঞ্জ আমিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠানে পাশের হার ৪৬.৮৩ শতাংশ। নবম স্থানে অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠানে পাশের হার ৪৬.৯৭ শতাংশ। দশম অবস্থানে বোরখাল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠানে পাশের হার ৪৭.৬২ শতাংশ। একাদশ অবস্থানে রয়েছে বলাখাল জেএন উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কারিগরি কলেজ। এ প্রতিষ্ঠানে পাশের হার ৪৮.৩৩ শতাংশ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital