বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন

শাহরাস্তিতে দাখিল পরীক্ষায় পাশের হার ৬৯.৯৬ শতাংশ

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫, ১০:৩৪ পিএম
শাহরাস্তিতে দাখিল পরীক্ষায় পাশের হার ৬৯.৯৬ শতাংশ
২০২৫ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার গড় পাশের হার ৬৯.৯৬ শতাংশ।
এ পরীক্ষায় উপজেলার ২১টি মাদ্রাসা থেকে সর্বমোট ৭১৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫০৩ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ২১৬ জন। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ১২ জন শিক্ষার্থী।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে ভালো ফলাফল করেছে আলহাজ সিরাজ উদ্দিন চৌধুরী মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, যেখানে পাশের হার শতভাগ।  অন্যদিকে সবচেয়ে কম ফলাফল করেছে রাজাপুরা ফাজিল মাদ্রাসা, যেখানে পাশের হার মাত্র ২৩.৯১%।
উল্লেখযোগ্য কিছু প্রতিষ্ঠানের ফলাফলে দেখা যায়, শাহরাস্তি মডেল মহিলা আলিম মাদ্রাসা: ৩০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৮ জন উত্তীর্ণ, পাশের হার ৯৩.৩৩%।রাগৈ আলিম মাদ্রাসা: ৩৯ জনের মধ্যে ৩৫ জন উত্তীর্ণ, পাশের হার ৮৯.৭৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।নুনিয়া ফাজিল মাদ্রাসা: ৩৫ জনের মধ্যে ৩১ জন উত্তীর্ণ, পাশের হার ৮৮.৫৭%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।ফেরুয়া কাদেরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা: ২৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২২ জন উত্তীর্ণ, পাশের হার ৮১.৪৮%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
শাহরাস্তি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আলী আশরাফ খান বলেন, উপজেলায় মাদ্রাসা শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে  আরও সচেতন ও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।