বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব দক্ষিণে দাখিলে পাসের হার ৩৮.৬৮ জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫, ১২:২৬ এম
মতলব দক্ষিণে দাখিলে পাসের হার ৩৮.৬৮ জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন

চলতি বছরের (১০ জুলাই-২০২৫) প্রকাশিত দাখিল পরীক্ষায় মতলব দক্ষিণ উপজেলার ১৭ টি মাদরসায় মোট ৫শ’ ১৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ২ শত জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়। যার পাসের শতকরা হার ৩৮.৬৮। এর মধ্যে কাচিয়ারা জামালিয়া আলিম মাদরাসা থেকে একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, ঘিলাতলী সামাদিয়া কাসেমুল উলুম কামিল মাদরাসা থেকে ৪৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩১ জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের শতকরা হার ৭২.০৯।

মতলব দারুল উলুম ইসলামীয়া ফাযিল মাদরাসা থেকে ৪২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৫ জন পাস করেছে। পাসের হার ৫৯.৫২। নন্দিখোলা ইসলামীয়া ফাযিল মাদরাসা থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১২ জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের হার ৩৪.২৯। কালিয়াইশ ইসলামীয়া ফাযিল মাদরাসা থেকে ৪২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২০ জন কৃতকার্য হয়েছে। নওগাঁও রাশেদিয়া ফাযিল মাদরাসা থেকে ৩৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৮ জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের শতকরা হার ২১.৬২। খর্গপুর ফাযিল মাদরাসা থেকে ৩৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৪ জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের শতকরা হার ৩৫.৯০। কাচিয়ারা জামালিয়া আলিম মাদরাসা থেকে ৪০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৮ জন কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন। পাসের শতকরা হার ৪৫.০০।

দক্ষিণ করবন্দ আলআমিন দাখিল মাদরাসা থেকে ২৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২ জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের শতকরা হার ৮.৩৩। ধনারপাড় ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসা থেকে ৩২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৬ জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের শতকরা হার ১৮.০০। পূর্ব ধলাইতলী এ জেআই ডি মাদরাসা থেকে ১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪ জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের শতকরা হার ৩৬.৩৬।

Model Hospital

কালিকাপুর আদর্শ দাখিল মাদরাসা থেকে ৭১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৫ জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের শতকার হার ৩৫.২১। ঘোড়াধারী ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসা থেকে ২২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৬ জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের শতকরা হার ২৭.২৭। বদরপুর ও এস দাখিল মাদরাসা থেকে ২৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৭ জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের শতকরা হার ২৫.০০। দিঘলদী জাফরিয়া দাখিল মাদরাসা থেকে ২২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১০ জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের শতকার হার ৪৫.৪৫।

রসূলপুর আননিছা দাখিল মাদরাসা থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৮ জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের শতকরা হার ৪০.০০। নাগদা সূফী আহমদ দাখিল মাদরাসা থেকে ২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২ জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের শতকরা হার ১০০.০০। উপাদী ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসা থেকে ৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২ জন কৃতকার্য হয়েছে। পাসের শতকরা হার ২৫.০০।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।