বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে মাছ চাষের দীঘিতে ভেঙ্গে পড়ছে চলাচলের রাস্তা সহ বসত বাড়ি-ঘর

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫, ১১:২৭ পিএম
চাঁদপুরে মাছ চাষের দীঘিতে ভেঙ্গে পড়ছে চলাচলের রাস্তা সহ বসত বাড়ি-ঘর
চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহাতলী উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি দীঘিতে অপরিকল্পিতভাবে মাছ চাষের ফলে ধসে পড়ছে ব্যক্তি মালিকানাধীন চলাচলের রাস্তা সহ বসত ঘর বাড়ি। এতে লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি সহ জীবনের নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে প্রায় ২০ সদস্যের ৩টি পরিবার।
শুক্রবার (১১ জুলাই) সকালে উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড ভাটেরগাঁও এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শাহাতলী স্কুল সংলগ্ন পূর্ব উত্তর পাশে এক একর ৩০ শতাংশের একটি দীঘিতে প্রায় ১৫ বছর যাবত লীজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছেন স্থানীয় জিন্নাহ তপদারের শ্যালক আশরাফ হোসেন সুমন ও হানিফ ভুঁইয়া নামে দুই ব্যক্তি।
আর এই অপরিকল্পিত মাছ চাষের ফলে দীঘির পূর্ব পাশের বসত বাড়ি ও বিল্ডিং এ দেখা দিয়েছে বড় ধরনের ফাটল। ভয়াবহ এ ফাটলে যেকোন সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে বসত ঘর সহ অন্যান্য স্থাপনা। কিন্তু এ নিয়ে জীবনের নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে বসবাসকারী মানুষগুলো। এছাড়াও বসত বাড়ি ও চলাচলের রাস্তার বিভিন্ন অংশ ধসে পড়েছে এই মাছ চাষের দীঘিতে।
মৃত ইউসুফ খানের ছেলে ভুক্তভোগী বিল্লাল হোসেন খান জানান, হাফেজ শহীদ উল্যাহ, ইব্রাহিম খান ও আমি সহ আমরা তিন ভাই এ বাড়িতে দীর্ঘদিন যাবত বসবাস করে আসতেছি৷ দীঘিতে বিভিন্ন প্রজাতির মাটি খেকো মাছ চাষের কারনে আমাদের চলাচলের রাস্তা ভেঙ্গে যাচ্ছে প্রতি বছর।
বিষয়টি ওনাদের জানালে ওনারা একবার প্রাথমিকভাবে ঠিক করে দিলেও আর কোন খবর নেই। সম্প্রতি চলমান এই ভারি বৃষ্টির মধ্যে দীঘির মাছ ধরার জন্য কয়েকটি মেশিন লাগিয়ে পানি কমালে আমাদের বসত বাড়ির মাটিতে ফাটল ধরে নিচে তলিয়ে যাচ্ছে।
এমনকি আমরা যে ঘরে থাকি প্রতিটি ঘরেই কোন না কোন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। এই ফাটল কখন যে দেয়াল ভেঙে আমাদের উপরে পড়ে যায়, এ নিয়ে আমরা প্রচন্ড নিরাপত্তা হীনতায় আছি। আমাদের এ ক্ষতি পুষিয়ে দিতে এবং ভাঙ্গন ঠেকাতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কাছে একটি স্থায়ী সমাধান আশা করছি।
এ বিষয়ে দীঘির মালিক জিন্নাহ তপদার ও আব্দুল মতিন তপদার (ভুট্টো) বলেন, বসত বাড়ি ও বিল্ডিং এ ফাটলের মতো যে ঘটনাটি ঘটেছে তা আসলেই দুঃখজনক। আমরা যাদেরকে দীঘিটি লীজ দিয়েছি, তাকে বলা হয়েছে আষাঢ়-শ্রাবন মাসে পানি কমাতে পারবে না। তারপরও যেহেতু হয়ে গেছে আমরা ওনাদের সাথে কথা বলে শনিবার বিকেলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে বসে একটি সুষ্ঠু সমাধান করার চেষ্টা করবো।
ভুক্তভোগীরা তাদের বসতবাড়ি ও বসতঘরে ভাঙ্গনের বিষয়টি এলাকার বিভিন্ন নেতৃবৃন্দকে জানালে শুক্রবার ঘটনাস্থলে আসেন, শাহমাহমুদপুরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক কামাল মিজি, সহ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দুলু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান পাটওয়ারী, ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মজিব কারী, উক্ত ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সোহাগ পাটোয়ারী সোহেল, ফিরোজা বেগম, সাবেক ইউপি সদস্য আবু সাঈদ সহ অত্র এলাকার বিভিন্ন সামাজিক নেতৃবৃন্দ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital