বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর শহরের লেক থেকে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫, ১০:১২ পিএম
চাঁদপুর শহরের লেক থেকে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

চাঁদপুর শহরের রেলওয়ের লেক থেকে আল-আমিন (১৭) নামে সদ্য এসএসসি উত্তীর্ণ এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা।

শনিবার (১২ জুলাই) রাত ১০টার দিকে মুক্তিযোদ্ধা সড়কের লেকের পানিতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর আল-আমিনের সঙ্গে থাকা ৭ সহপাঠীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সদর মডেল থানায় নিয়েছে পুলিশ।

আল-আমিন (রিমন) এ বছর চাঁদপুর গনি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। সে চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী প্রধানিয়ার ছেলে। পরিবারসহ তারা শহরের মমিনপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার বিকেলে আল-আমিন বাসা থেকে বের হয়ে চাঁদপুর শহরের হাসান আলী হাই স্কুল মাঠসংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য ‘অঙ্গীকার’ এর সামনে লেকপাড় এলাকায় কয়েকজন সহপাঠীর সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিল। এর কিছুক্ষণ পর রাত ৯টার দিকে হঠাৎ করে তাকে লেকের পানিতে ভাসতে দেখা যায়।

Model Hospital

স্থানীয়রা আরও জানান, আল-আমিনের সহপাঠীরা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করেছে, রিমন নামে আরেক বন্ধুর সঙ্গে বাজি ধরে লেকের এক পাড় থেকে অন্য পাড়ে যাবে। এর বিনিময়ে সে ৫০০ টাকা পাবে। এরপরই এই ঘটনা।

ঘটনার পর খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালে আসেন আল-আমিনের বাবা রমজান আলী প্রধানিয়া ও মা ফারজানা আক্তারসহ স্বজনরা।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আল-আমিনের বাবা রমজান আলী জানান, এলাকার ভুঁইয়া বাড়ির সামনে থেকে তার ছেলেকে ডেকে নিয়ে লেকের পাড়ে ছুরি মারে অজ্ঞাতরা। বাঁচার জন্য তার ছেলে লেকের পানিতে লাফ দিয়েও বাঁচতে পারেনি। পানিতে ডুবে মারা যায়। তিনি এই হত্যার বিচার দাবি করেন।

চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাহার মিয়া বলেন, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং পরবর্তীতে হাসপাতালে আসে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী আল-আমিনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার জন্য তদন্ত চলছে। এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।