বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ও কৃতি শিক্ষার্থীদের ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫, ১১:২০ পিএম
চাঁদপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ও কৃতি শিক্ষার্থীদের ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা

চাঁদপুর: এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থী এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, চাঁদপুর জেলা শাখা।

বুধবার (১৭ জুলাই ২০২৫) সকাল ৯টায় চাঁদপুর জেলার মধ্যস্থানে অবস্থিত হাজীগঞ্জে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। জেলার বিভিন্ন উপজেলার শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণ করে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, অনুষ্ঠানে মুসলিম শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি হিন্দু ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরাও সংবর্ধিত হয়, যা সামাজিক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

Model Hospital

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই কৃতি শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। শুধু ভালো ফল করলেই হবে না, মেধাকে আল্লাহভীতি, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। তাহলেই তারা সত্যিকার অর্থে জাতির কল্যাণে অবদান রাখতে পারবে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সভাপতি, চাঁদপুর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এবং চাঁদপুর-৫ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা আবুল হোসাইন। তিনি বলেন, “বর্তমান সমাজে সত্য ও মেধাবীদের প্রয়োজন সর্বাধিক। তোমাদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যৎ চিন্তাবিদ, শিক্ষাবিদ ও নেতৃত্ব তৈরি হবে। শুদ্ধ চিন্তা ও মূল্যবোধ ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে।”

আরও বক্তব্য দেন হাজীগঞ্জ আহমাদিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুহাদ্দিস এবং চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আবু নছর আশরাফী। তিনি বলেন, “শিক্ষা শুধু ডিগ্রির জন্য নয়, এটি আলোকিত মানুষ তৈরির মাধ্যম। যারা আজ সংবর্ধিত হয়েছে, তাদের দায়িত্ব আরো বেশি। তারা যেন সমাজের জন্য অনুকরণীয় হয়।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি ইব্রাহিম খলিল। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের মেধার স্বীকৃতি দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। আমরা চাই তারা নৈতিক ও আদর্শিক ভিত্তির ওপর গড়ে উঠুক এবং দেশ ও জাতির সেবায় নিজেদেরকে প্রস্তুত করুক।”

অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কয়েকশো জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে ফুল, ক্রেস্ট ও উপহার দিয়ে সংবর্ধিত করা হয়। অভিভাবক, শিক্ষক ও ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।