বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখল করে রাখার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫, ৮:২২ পিএম
কচুয়ায় ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখল করে রাখার অভিযোগ

কচুয়ায় ক্রয়কৃত সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল রাখার অভিযোগ।

কচুয়া উপজেলার বিতারা গ্রামে ক্রয়কৃত সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী ওই গ্রামের শহীদ উল্লাহ মোল্লা বাদী হয়ে একই গ্রামের জামাল হোসেন মোল্লা ও বসির মোল্লাকে বিবাদী করে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্র জানা গেছে,বিতারা গ্রামের দূর্গাপুর মৌজায় বিএস ২৮৩৫ খতিয়ান, বিএস ৮৩২৪ দাগে ৬.০০ শতাংশ বাড়ী এবং বিএস ৮৩২৬ দাগে ২.০০ শতাংশ পুকুর (আগত খতিয়ান- ১০৬৩, দলিল নং- ৩২৫০, তাং- ১৭/০৪/১৯৯৫, কচুয়া, চাঁদপুর) মোট ৮.০০ শতক দলিলমূলে খরিদ করে বাদী শহিদুল্লাহ মোল্লা রেজিস্ট্রির মাধ্যমে ভোগদখলীয় মালিক হয়ে। পরবর্তীতে বাদীর খরিদা জায়গা ভোগ দখলে গেলে পার্শ্ববর্তী বাসিন্দা জামান হোসেন মোল্লা ও বশির মোল্লা বাধা প্রদান করে বাদী শহিদ উল্লাহ মোল্লাকে গালমন্দ, হুমকী-দমকী প্রদান করে অবৈধ দোখলদার হিসেবে ভোগ দখল রয়েছে।

বাদীর পক্ষ থেকে খরিদা সম্পত্তি অবৈধ দখলদারগণ হতে অবমুক্ত করণের লক্ষ্যে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গকে অবগত করলে স্থানীয় শালীশি বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের জন্য বসতে চাইলেও জামাল হোসেন মোল্লা ও বশির মোল্লা কোন কর্ণপাত করে না।

Model Hospital

ভুক্তভোগী শহিদ উল্লাহ মোল্লা জানান, আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখল ছাড়ছে না বিবাদী জামান হোসেন ও বশির মোল্লা। কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে ওই অভিযোগে প্রেক্ষিতে বিতারা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম সরে জমিনে তদন্ত করতে আসলে বিবাদী জামাল হোসেন ও বশির মোল্লা কেউ উপস্থিত হয়নি।

বিতারা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম জানান, শহিদ উল্লাহ মোল্লার ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখল ছাড়ছে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগ তদন্ত করার জন্য আমাকে নির্দেশনা প্রদান করে। আমি দুইপক্ষকে নোটিশের মাধ্যমে তদন্তের বিষয়টি জানিয়ে ২২ শে জুলাই সোমবার ঘটনাস্থলে গেলে বাদীর পক্ষরা উপস্থিত থাকলেও বিবাদীগন কেউ উপস্থিতি হয়নি। অভিযোগের বিষয়টি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি চলছে।

বিবাদীগণ জামাল হোসেন ও বশির মোল্লার বক্তব্য জানতে তাদের বাড়িতে গেলে কাউকে না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়ার সম্ভব হয়নি।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।