কচুয়ায় ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখল করে রাখার অভিযোগ
কচুয়ায় ক্রয়কৃত সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল রাখার অভিযোগ।
কচুয়া উপজেলার বিতারা গ্রামে ক্রয়কৃত সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী ওই গ্রামের শহীদ উল্লাহ মোল্লা বাদী হয়ে একই গ্রামের জামাল হোসেন মোল্লা ও বসির মোল্লাকে বিবাদী করে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্র জানা গেছে,বিতারা গ্রামের দূর্গাপুর মৌজায় বিএস ২৮৩৫ খতিয়ান, বিএস ৮৩২৪ দাগে ৬.০০ শতাংশ বাড়ী এবং বিএস ৮৩২৬ দাগে ২.০০ শতাংশ পুকুর (আগত খতিয়ান- ১০৬৩, দলিল নং- ৩২৫০, তাং- ১৭/০৪/১৯৯৫, কচুয়া, চাঁদপুর) মোট ৮.০০ শতক দলিলমূলে খরিদ করে বাদী শহিদুল্লাহ মোল্লা রেজিস্ট্রির মাধ্যমে ভোগদখলীয় মালিক হয়ে। পরবর্তীতে বাদীর খরিদা জায়গা ভোগ দখলে গেলে পার্শ্ববর্তী বাসিন্দা জামান হোসেন মোল্লা ও বশির মোল্লা বাধা প্রদান করে বাদী শহিদ উল্লাহ মোল্লাকে গালমন্দ, হুমকী-দমকী প্রদান করে অবৈধ দোখলদার হিসেবে ভোগ দখল রয়েছে।

বাদীর পক্ষ থেকে খরিদা সম্পত্তি অবৈধ দখলদারগণ হতে অবমুক্ত করণের লক্ষ্যে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গকে অবগত করলে স্থানীয় শালীশি বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের জন্য বসতে চাইলেও জামাল হোসেন মোল্লা ও বশির মোল্লা কোন কর্ণপাত করে না।

ভুক্তভোগী শহিদ উল্লাহ মোল্লা জানান, আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখল ছাড়ছে না বিবাদী জামান হোসেন ও বশির মোল্লা। কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে ওই অভিযোগে প্রেক্ষিতে বিতারা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম সরে জমিনে তদন্ত করতে আসলে বিবাদী জামাল হোসেন ও বশির মোল্লা কেউ উপস্থিত হয়নি।
বিতারা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম জানান, শহিদ উল্লাহ মোল্লার ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখল ছাড়ছে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগ তদন্ত করার জন্য আমাকে নির্দেশনা প্রদান করে। আমি দুইপক্ষকে নোটিশের মাধ্যমে তদন্তের বিষয়টি জানিয়ে ২২ শে জুলাই সোমবার ঘটনাস্থলে গেলে বাদীর পক্ষরা উপস্থিত থাকলেও বিবাদীগন কেউ উপস্থিতি হয়নি। অভিযোগের বিষয়টি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি চলছে।
বিবাদীগণ জামাল হোসেন ও বশির মোল্লার বক্তব্য জানতে তাদের বাড়িতে গেলে কাউকে না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়ার সম্ভব হয়নি।





