বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন হলে দেশ এগিয়ে যাবে : চাঁদপুরে আজম খান

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ আগস্ট, ২০২৫, ৬:১৫ পিএম
তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন হলে দেশ এগিয়ে যাবে : চাঁদপুরে আজম খান
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও চাঁদপুর জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মোঃ আজম খান বলেছেন, আধুনিক এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে তারেক রহমানের প্রস্তাবিত ৩১ দফা আমাদের জন্য নতুন আলোর দিশা। এই ৩১ দফা বাস্তবায়ন হলে আমাদের দেশ এগিয়ে যাবে। অণ্য-বস্তু, শিক্ষা, স্বাস্থ্য,সংস্কৃতিসহ মানুষের সকল মৌলিক অধিকার বাস্তবায়ন হবে। তাই ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের সবাইকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে।
বৃহষ্পতিবার (৩১ জুলাই) বিকেলে চাঁদপুরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চাঁদপুরে লিফলেট বিতরণ এবং পথসভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সহস্রাধিক নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নের বিভিন্ন হাটবাজার মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটে যান। এসময় তিনি প্রতিটি হাটবাজারে মানুষের কাছে গিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সালাম এবং তার ঘোষিত ৩১ দফার লিফলেট তুলে দেন।
চাঁদপুর-৩ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশী আজম খান আরো বলেন, এই ৩১ দফা শুধু বিএনপির কর্মসূচি নয়, এটি গোটা বাঙালি জাতির গণতান্ত্রিক মুক্তির ইশতেহার। যেখানে ‘‘প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির বিপরীতের কথা বলা হয়েছে।‌যেখানে একটি বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতির রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার কথা বলা হয়েছে। আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান এই ৩১ দফা ঘোষণার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন।”
তিনি বলেন, ” স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা বাহিনীর দমন-পীড়নে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন কারা যাপন করেছেন। কিন্তু তিনি অন্যায়ের কাছে আপোষ করেননি। ফলে তিনি আজও গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশের আপামর জনতার হৃদয় জায়গা করে নিয়েছেন। ‌বেগম খালেদা জিয়া এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে হলে আমাদের প্রতিটা নেতা কর্মীকে রাজপথ ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ‌
আজম খান বলেন, গত ১৫ বছর স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের শিকার হয়ে বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেনড় গুম হয়েছেন এবং নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। অনেক নেতাকর্মীকে কারাবন্দি রেখে নির্যাতন করা হয়েছে, তার বাবা-মায়ের জানাজায়ও আসতে দেয়া হয়নি। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার আমার বিরুদ্ধেও অনেকগুলো মিথ্যে মামলা দিয়েছে। আমাকে ভিসা পাসপোর্ট দেয়নি‌। আমার পরিবারকে বাংলাদেশ আসতে দেয়নি। যার ফলে দীর্ঘ সময় ধরে আমি আপনাদের কাছ থেকে দূরে ছিলাম।
তিনি আরো বলেন, আমি এই এলাকার সন্তান, এই মাটির সন্তান। আমি আপনাদের কাছে ফিরে এসেছি এবং আমৃত্যু আপনাদের পাশে থাকবো। আমি কোন নেতা নই, আমার নেতা তারেক রহমান। আমি আপোষী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কর্মী। আমরা সবাই মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের উত্তরসূরী। আগামী দিনে আমরা সবাই মিলে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে একসাথে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।
এসময় চাঁদপুর সদর উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোঃ শাহাদাত খান, সাবেক ছাত্রনেতা এমদাদুল হক মিলন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অলি পাটোয়ারী, বিএনপি নেতা শাহাদাত খান, রাশেদ জাহান তুষার খানসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital