চাঁদপুরে হাইকোর্টের স্থিতাবস্থা ভঙ্গ করে বসতবাড়ি গুঁড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ
চাঁদপুর শহরের কোড়ালিয়া রোডে হাইকোর্টের স্থিতাবস্থা (স্টে অর্ডার) অমান্য করে তিন পরিবারের বসতবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে।

অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন কালু হাওলাদার, শাহাদাত হাওলাদার, সালেহ আহম্মেদ ও তার ছেলে হাসিব, শেখ হাবিবুর রহমানের ছেলে দুলাল, গুয়াখোলার আলমগীর, আউয়ালসহ অজ্ঞাত আরও ৫০-৬০ জন সন্ত্রাসী।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ, মৃত হাজি আব্দুল মান্নান ঢালির বাড়ি, প্রবাসী আলহাজ হারুন মিয়ার বাড়ি এবং মেজর আকাশের বাড়িসহ ১৩ শতক জমির উপর থাকা স্থাপনা কোনো নোটিশ ছাড়াই ভেক্যু দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ সময় হাইকোর্টের আদেশের কপি দেখালেও হামলাকারীরা তা উপেক্ষা করে।

ধ্বংসযজ্ঞের পাশাপাশি বাড়ির আসবাবপত্র, চাল-ডাল, কাপড়, নগদ টাকা, প্রায় ৪ ভরি সোনার গয়না, বৈদ্যুতিক পণ্য এবং তিনটি দোকানের মালামাল লুটে নেয় হামলাকারীরা। এমনকি বাড়ি ধ্বংসের সময় বেরিয়ে আসা রডগুলোও নিয়ে যায় তারা।

অভিযোগে বলা হয়, স্থানীয় প্রভাবশালী ভূমিদস্যু কালু হাওলাদার, শাহাদাত হাওলাদার, সালেহ আহম্মেদ, তার ছেলে হাসিব, শেখ হাবিবুর রহমানের ছেলে দুলাল, গুয়াখোলার আলমগীর, আঊয়ালসহ অজ্ঞাত আরও ৫০-৬০ জন সন্ত্রাসী হামলায় অংশ নেয়।
ভুক্তভোগীরা জানান, মৃত হাজি আব্দুল মান্নান ঢালির বাড়ি, প্রবাসী আলহাজ্ব হারুন মিয়ার বসতবাড়ি এবং মেজর আকাশের বাড়ি উচ্ছেদের নামে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। হাইকোর্টের স্থিতাবস্থার আদেশের কপি দেখানো হলেও অভিযুক্তরা তা উপেক্ষা করে। উচ্চ আদালতের আদেশ গোপন করে নিম্ন আদালতের ভিন্ন আদেশ দেখিয়ে কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই প্রায় ১৩ শতক জমির স্থাপনা ধ্বংস করা হয়।
অভিযুক্তরা নগদ টাকা, চার ভরি সোনার গয়না, চাল–ডাল, কাপড়, বৈদ্যুতিক পণ্য, দোকানের মালামাল, এমনকি বাড়ি ভেঙে বের হওয়া রডও লুটে নেয়। বসতঘরের আসবাব, ঘটিবাটি থেকে শুরু করে সব মালামাল নিয়ে যায়।
চার দশকের বেশি সময় ধরে ওই জমিতে বসবাসকারী পাঁচটি পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে। ভুক্তভোগীরা জানান, অস্ত্রধারী ৫০–৬০ জন হামলাকারী নারী, শিশু, বৃদ্ধ—কাউকেই রেহাই দেয়নি। প্রাণভয়ে পরিবারগুলো পাশের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। দুই দিন ধরে চলা এই তাণ্ডবের সময় দেখার কেউ ছিল না বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।





