শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে বাস মালিকদের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের সভা

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫, ৯:৫৯ পিএম
চাঁদপুরে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে বাস মালিকদের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের সভা

চাঁদপুর জেলা বাস চলাচলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে বাস মালিকদের সঙ্গে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।

চাঁদপুর জেলা বাস চলাচলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে বাস মালিকদের সঙ্গে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২০ আগস্ট) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ সভা হয়।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) নাজমুন নাহার এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।

তিনি বলেন, চাঁদপুরে অনেক গাড়ির রোড পারমিট নেই, আবার কারও নবায়নও হয়নি। অনেক চালক সচেতনতার অভাবে ইচ্ছেমতো গাড়ি চালাচ্ছেন। কিছু বাস কাউন্টারবিহীনভাবে চলাচল করছে এবং সময়সূচি মেনে চলছে না। প্রশাসন এখন থেকে এসব অনিয়মকে নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসবে।

Model Hospital

ডিসি আরও বলেন, রোড পারমিট ছাড়া কোনো গাড়ি সড়কে চলতে পারবে না। যতগুলো পারমিট আছে, কেবল সেই সংখ্যক গাড়িই রাস্তায় চলবে। যার যেখান থেকে রোড পারমিট আছে, সেখান থেকেই গাড়ি চলবে এবং টার্মিনালও সেখানেই রাখতে হবে। রাস্তায় আর কোনো গাড়ি থামানো বা রাখা যাবে না। ছোট জেলায় ইচ্ছেমতো গাড়ি বাড়ানো যাবে না। যাত্রী সংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গাড়ি চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি মালিক সমিতিকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনাদের দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। মালিক সমিতিকে অবশ্যই পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সক্রিয় সহযোগিতা করতে হবে। প্রশাসনের নির্দেশনা চালকদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে, কারণ তারাই সরাসরি রাস্তায় গাড়ি চালাচ্ছেন।

ডিসি আরও বলেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে বাস মালিকদের জানাতে হবে কতগুলো ২৫ বছরের বেশি পুরনো গাড়ি রয়েছে। এগুলো দ্রুত ডাম্পিংয়ে নিতে হবে। পুরনো ও ঝুঁকিপূর্ণ গাড়ি রাস্তায় চলতে দেওয়া হবে না। রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্রচ্ছায়ায় যে অনিয়ম হচ্ছে, তা আর বরদাস্ত করা হবে না। মালিক ও চালক উভয়েরই সচেতন হওয়া জরুরি।

তিনি পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেন, প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনায় অযথা প্রাণহানি ঘটছে। এতে শুধু পরিবার ও সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না, দেশের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তাই প্রশাসন দ্রুত অভিযান শুরু করবে। তবে তার আগে আপনাদের সঙ্গে বসে বিষয়গুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে চাই।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) – মো: লুৎফর রহমান, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট – নিলুফা ইয়াছমিন মিতু, ট্রাফিক পরিদর্শক মো: মাহফুজ মিয়া, সহকারী পরিচালক (বিআরটিএ) মো: কামরুজ্জামান।

সভায়, চাঁদপুর জেলা বাস মালিক সমিতর বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ এবং জেলার সকল বাস মালিক এর প্রতিনিধি রা উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital