বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

লিও ক্লাব অব চাঁদপুর -এর ইংরেজি দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫, ১১:৫১ পিএম
লিও ক্লাব অব চাঁদপুর -এর ইংরেজি দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

লিও ক্লাব অব চাঁদপুর -এর উদ্যোগে এবং লায়ন্স ক্লাব অব চাঁদপুর -এর পৃষ্ঠপোষকতায় ‘লিও ইংলিশ এজ’ (Leo English Edge) প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। ২২ আগস্ট শুক্রবার বিকালে শহরের চিত্রলেখা মোড়ে লায়ন্স অফিসে এই আয়োজন করা হয়। “আপনার কণ্ঠস্বর দিয়ে বিশ্বকে অনুপ্রাণিত করুন” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে লিও সদস্যদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধিতে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন লায়ন্স ক্লাব অব চাঁদপুর -এর লায়ন্স ওয়ায়েছ মোহাম্মদ জয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লিও ক্লাব অব চাঁদপুর এর প্রেসিডেন্ট লিও জান্নাতুল নাঈমা জুহানি।ভাইস প্রেসিডেন্ট লিও আব্দুল্লাহ আল মামুনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর উইমেন চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মনিরা আক্তার। প্রশিক্ষক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ‘লিও ইংলিশ এজ’ (Leo English Edge) প্রকল্পের ট্রেইনার মোস্তাকিম রাসেল তারেক। তিনি কোঅর্ডিনেটর (কোরিয়ান ভাষা) – ২০০৮ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত সাইফুর’স-এ কর্মরত ছিলেন।

ভাষা প্রশিক্ষক (স্পোকেন ইংলিশ, ব্যাকরণ ও রাইটিং, আইইএলটিএস) – ২০১৩ থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সাইফুর’স-এ দায়িত্ব পালন করেন। ভাষা প্রশিক্ষক ও প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও – ২০২৫ সালের জুন থেকে বর্তমান পর্যন্ত English Pro & E9 Language Center-এ কর্মরত আছেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লায়ন্স ক্লাব অব চাঁদপুর -এর প্রেসিডেন্ট লায়ন্স ওয়ায়েস মাহমুদ জয় বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি স্কিল ডেভলপ বা দক্ষতা বৃদ্ধির কোন বিকল্প নেই। বর্তমানে উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে আমাদের নতুন প্রজন্মকে দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। দক্ষতা অর্জন না করলে শিক্ষাজীবনের এ প্লাস কিংবা সার্টিফিকেট কোন কাজে দিবে না।

Model Hospital

তিনি আরো বলেন, লিও ক্লাব অব চাঁদপুর -কে নিয়ে আমার অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। যেহেতু এটি একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, তাই এই প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের মাতৃভাষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ভাষায় দক্ষ করে তুলতে আমরা এই কোর্সটি চালু করেছি। এরপর আমরা ধারাবাহিকভাবে আইটি ও কম্পিউটারসহ অন্যান্য বিষয়ে প্রশিক্ষণের আয়োজন করবে। আমরা চাই লিও ক্লাবের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি দক্ষ যুব সমাজ তৈরি হোক। আর সেটি আমরা চাঁদপুর থেকে শুরু করতে চাই। তোমাদের আগ্রহ এবং সহযোগিতা থাকলে, ইনশাল্লাহ আমরা সফল হব।

এসময় লিও ক্লাব অব চাঁদপুর -এর ভাইস প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম লিখন, মেম্বারশীপ চেয়ারম্যান রনি মাল, টেল টু‌ স্টার মাজহারুল ইসলাম, জয়েন্ট ট্রেজারার আরজিনা জেরিন সহ ৩০ জন লিও উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।