বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে পুলিশের হ্যান্ডকাফসহ আসামি ছিনতাই, গ্রেফতার ফারুকসহ-৪

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫, ৬:৫৪ পিএম
ফরিদগঞ্জে পুলিশের হ্যান্ডকাফসহ আসামি ছিনতাই, গ্রেফতার ফারুকসহ-৪

ফরিদগঞ্জে পুলিশের হ্যান্ডকাফসহ পলাতক আসামি ফারুক ও পুলিশের উপর হামলাকারি তিন নারী গ্রেফতার।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে পুলিশের হাত থেকে হ্যান্ডকাফসহ ফারুক হোসেন (৩৬) নামের এক চোর ও মাদক ব্যবসায়ীকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ফারুকসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৩ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে উপজেলার ৫নং গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের মানরী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরদিন রবিবার (২৪ আগস্ট) সকালে হ্যান্ডকাফসহ পলাতক ফারুককে পুনরায় গ্রেফতার করা হয়। ওই দিনই গ্রেফতারকৃত চারজনকে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ। বিষয়টি ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ্ আলম নিশ্চিত করেছেন।

মাদক ব্যবসায়ী ও কুখ্যাত চোর ফারুক হোসেন মানরী এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে ১০-১৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ শনিবার রাতে মানরী এলাকার নিজ বাড়ি থেকে ফারুককে গ্রেফতার করে। তাকে থানায় নেওয়ার পথে স্থানীয় মানরী বাজারের সামনে পৌঁছলে ফারুকের স্ত্রী, ভাই মাদক কারবারি হাসান আত্মীয়-স্বজন ও সহযোগীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এসময় তারা পুলিশের হাত থেকে হ্যান্ডকাফ পরা ফারুককে ছিনিয়ে নেয়।

Model Hospital

ফারুকের বিরুদ্ধে ফরিদগঞ্জ, হাজীগঞ্জ ও পার্শ্ববর্তী জেলার রামগঞ্জে মাদক চুরিসহ ৬ মামলা চলমান রয়েছে।

হামলায় এএসআই দেলোয়ার হোসেন, আহাল উল্লাহ এবং কনস্টেবল ইসমাইল আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় পুলিশ ফারুকের স্ত্রী কুলসুমা প্রভা বৃষ্টি (২৮), কুখ্যাত চোর হাসানের স্ত্রী ঝর্ণা বেগম (৩৩), তানিয়া আক্তার (২২) এবং হ্যান্ডকাফসহ পালানো ফারুক হোসেনকে গ্রেফতার করেছে।

ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহ্ আলম বলেন, এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি ফারুককে গ্রেফতার করে থানায় নেওয়ার সময় তার লোকজন পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় তিনজন পুলিশ আহত হন। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সকালে হ্যান্ডকাফসহ ফারুককেও ধরা হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।